পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রার্থনা করিয়া পত্র লিখিলেন। পষেধও আবশ্যক হইলে তিনি কতবার এইরপে মহারাজের হস্তী আনাইয়া লইয়াছেন। একজন ভৃত্যকে ডাকিয়া পরখানি লইয়া যাইতে আজ্ঞা দিয়া, মোক্কার মহাশয় আবার মরেন্সগণের সহিত কথোপকথনে প্রবত্ত হইলেন। শ্রীযন্ত জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের বয়স এখন পঞ্চাশং পার হইয়াছে। মানযেটি লম্বা ছাঁদের—রগটি আর একট পরিকার হইলেই গৌরবণ বলা যাইতে পারত। গোপগলি মোটা মোটা—কাঁচায় পাকায় মিশ্রিত। মাথার সন্মখভাগে টাক আছে। চক্ষ দুইটি বড় বড়, ভাসা ভাস্য। তাঁহার হাদয়ের কোমলতা যেন হাদয় ছাপাইয়া, এই চক্ষ দুইটি দিয়া উছলিয়া পড়িতেছে। ইহার আদিবাস যশোর জেলায়। এখানে যখন প্রথম মোক্তারী করিতে আসেন, তখন এদিকে রেল খোলে নাই। পদ্মা পার হইয়া কতক নৌকাপথে, কতক গরর গাড়ীতে, SBBB BBBB BBBB DBDDDS BBB BBBS BBDD DBBB BB BBB BBB পিতলের ঘটি ছিল। সহায় সম্পত্তি কিছুই ছিল না। মাসিক তেরো সিকায় একটি বাসা ভাড়া লইয়া, নিজ হাতে রাধিয়া খাইয়া মোক্তারী ব্যবসায় আরম্ভ করিয়া দেন। এখন সেই জয়রাম মুখোপাধ্যায় পাকা দালান কোঠা করিয়াছেন, বাগান করিয়াছেন, পাকুর কিনিয়াছেন, অনেকগুলি কোপানীর কাগজও কিনিয়াছেন। যে সময়ের কথা বলিতেছি, তখন এ জেলায় ইংরাজীওয়ালা মোক্তারের আবিভাব হুইয়াছে ধটে—কিন্তু জয়রাম ম্যখয্যেকে তাহারা কেহই হটাইতে পারে নাই। তখনও ইনি এ জেলার প্রধান মোন্তার বলিয়া গণ্য। - মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের হৃদয়খনি অত্যন্ত কোমল ও স্নেহপ্রবণ হইলেও, মেজাজটা কিছ রক্ষে। যৌবনকালে ইনি রীতিমত বদরাগী ছিলেন—এখন রক্ত অনেকটা ঠাণ্ডা হইয়া আসিয়াছে। সেকালে, হাকিমেরা একট অবিচার অত্যাচার করিলেই মখায্যে মহাশয় রাগিয়া চে'চাইয়া অনখপাত করিয়া তুলিতেন। একদিন এজলাসে এক ডেপটির সহিত ইহার বিলক্ষণ বচসা হইয়া যায়। বিকালে বাড়ী আসিয়া দেখিলেন, তাঁহার মঙ্গলা গাই একটি এড়ে বছর প্রসব করিয়াছে। তখন আদর করিয়া উক্ত ডেপুটিবাবরে নামে বাহরটির নামকরণ করলেন। ডেপুটিবাবা লোকপরম্পরায় কমে এ কথা শুনিয়াছিলেন, এবং বলা বাহুল্য, নিতান্ত প্রীতিলাভ করেন নাই। আর একবার, এক ডেপুটির সম্মখে মখেযে মহাশয় আইনের তক করিতেছিলেন, কিন্তু হাকিম কিছতেই ইহার কথায় সায় দিতেছিলেন না। অবশেষে রাগের মাথায় জয়রাম বলিয়া বাঁসলেন—“আমার স্মীর যতটুকু আইন-জ্ঞান আছে, হাজরের তাও নেই দেখছি।" সেদিন, আদালত-অবমাননার জন্য মোক্তার মহাশয়ের পাঁচ টাকা জরিমান্য হইয়াছিল। এই আদেশের বিরদ্ধে তিনি হাইকোট অবধি লড়িয়াছিলেন। সব্বাসদ্ধে ১৭০০ ব্যয় করিয়া এই পাঁচটি টাকা জরিমানার হাকুম রহিত করিয়াছিলেন। মখোপাধ্যায় যেমন অনেক টাকা উপাজন করিতেন, তেমনি তাঁহার ব্যয়ও যথেষ্ট ছিল। তিনি অকাতরে অন্নদান করিতেন। অত্যাচারিত, উৎপীড়িত গরীব লোকের মোকদ্দমা তিনি কত সময় বিনা ফিসে, এমন কি নিজে অথব্যয় পৰ্যন্ত করিয়া, চালাইয়া দিয়াছেন। প্রতি রবিবার অপরাহুকালে পাড়ার যুবক-বন্ধগণ মোক্তার মহাশয়ের বৈঠকখানায় সমবেত হইয়া তাস পাশা প্রভৃতি খেলিয়া থাকেন। অদ্যও সেইরাপ অনেকে আগমন DBBBDSBBBB BBBBBB g DBBBBBB DBDS DDBB BBBBB DDD বাগানে খানিকটা পথান পরিশকৃত করা হইতেছে, হাতী রায়ে খাইবে বলিয়া বড় বড় পাতাসন্ধ কয়েকটা কলাগাছ ও অন্যান্য বক্ষের ডান্স কাটাইয়া রাখা হইতেছে—মোজার মহাশয় সে সমস্ত তদারক করিতেছেন। মাঝে মাঝে বৈঠকখানায় আসিয়া, কোনও ব্রাহ্মণের হাত * ** ** ಗೆ प्लेन प्रज्ञा आन्तान्न वाौश्फ्ना इष्ट्रेब्रा | $89