পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


हुठलान्ती प्लीलझा pाल। - আমার দই চক্ষ দিয়া জল পড়িতে লাগিল। কাঁপতে কাঁপতে গিয়া অবিনাশকে উঠাইলাম। তাহাকে সকল কথা বলিলাম। শনিয়া সে নিস্তধ হইয়া বসিয়া.রহিল। ভগ্নস্বরে বলিলাম—“ও অবিনাশ !—কিছু বলছ না কেন? এখন উপায় কি ?" অবিনাশ সংক্ষেপে বলিল “পালান।" ম ব্যাকুলভাবে বলিলাম--"ও যে আমায় ধরতে এসেছে তাতে আর কিছুমার সন্দেহ নাই। কি বল অবিনাশ-অ্যt ?" অবিনশ বলিল—“যখন সে পলিশ-হেডক্লাকের বাড়ীতেই অতিথি—তখন নিশ্চয়ই সে । কলকাতার ডিটেকটিব। ওর কোনও কথা আমাদের বলতে হোটেলওয়ালাকে যে বায়ণ । করে গেল, তাতেই বেশ বোঝা যাচ্ছে ওর কুমৎলব আছে—পাছে জানতে পেরে আপনি পালিয়ে যান। ভোরবেলা এসে বাড়ী ঘেরাও করবে—এই বেলা সরে পড়ন ।” “কোথা পালাই ?” “যেখানে হয়। এখানে থাকলে কাল সকালে এসেই কাঁক করে ধরে ফেলবে। হাওয়াগাড়ী করে একবারে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। দ্য দণ্ড রাত্রি থাকতে কনেস্টবল দিয়ে বাড়ী ঘেরাও করে রাখবে " “পালাতে বলছ-পালিয়ে পালিয়ে কতকাল বেড়াব অবিনাশ ?”-বলিতে বলিতে আমার চক্ষ দিয়া টপ টপ করিয়া জল পড়িতে লাগিল। "আপনি ত আর খনে করেন নি যে, যখনই ধরবে, তখনই ফাঁসি দেবে। এখন যদি দ্য এক বছর গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারেন—তার পর এ সব স্বদেশীর গোলমাল থেমে থমে গেলে—আর আপনাকে ধরতে চাইবে না।" বসিয়া বসিয়া অকল সমাদ ভাবিতে লাগিলাম—আর কোঁচার খটে বারংবার চক্ষ মছিতে লাগিলাম। এই বয়সে কোথায় পলাইয়া বেড়াইব ? খাইবই বা কি ? অবিনাশকে সেই কথা বলিলাম। সে সাত্বনার কোমলস্বরে বলিল—“আপনি নাম ভাঁড়িয়ে আমায় চিঠি লিখবেন। আমি আয"শক্তির তবিল থেকে আপনাকে টাকা পাঠিয়ে দেব-যেখানে যখন থাকবেন। তবে ཨ་ཀ་པཱུ་ བྱུང་ཨེ ཨ་ཤག ཐ་མ་ཝ ཐ་ཤ་r ייל קלויי অবিনাশ একটা চিন্তা করিয়া ধীরে ধীরে বলিল—“আপনি আজ পালান—আমি কালই কলিকাতায় চলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি লোককে বলব, আপনি দিল্লী গেছেন-দ চার দিন পরে ফিরবেন। সপ্তাহখানেক পরে, যেখানে আপনি থাকবেন, সেখান থেকে একটা কাল্পনিক প্রেরকের নাম দিয়ে আমায় একখানা টেলিগ্রাম করে দেবেন-যেন হঠাৎ আপনার কলেরায় মৃত্যু হইয়াছে।" इन्दूभाशे दांना आपात या शश दिया ऽठिन জিজ্ঞাসা করিলাম—“তাতে কি ফল অবিনাশ গভীরভাবে বলিল—“ফল দল রকমের আশা করছি। প্রথমতঃ—আপনি মরে গেছেন শনলে, গবৰ্ণমেণ্ট আপনার নামে ওয়ারেন্ট বন্ধ করে দেবে—ধরা পড়বার ভয় আর থাকবে না। দ্বিতীয়তঃ—আপনার মৃত্যু উপলক্ষে সভা-টভা করে, প্রবন্ধ লিখে জীবনচরিত ছাপিয়ে এইটে প্রচার করে দেব যে, আপনি কিছই রেখে যেতে পারেন নি— আপনার অন্যথা শুিবা আর অসহায় পত্রকন্যদের ভরণপোষণের আর কোনই উপায় নেই -আৰ্য্যশক্তির আ ই একমাত্র সম্বল—আয"শক্তির গ্রাহক সংখ্যা অন্ততঃ বিগণ না হলে তাদের অনশনে প্রাণত্যাগ করতে হবে। এই রকম ফন্দি করে কিছু গ্রাহক বাড়িয়ে নেব।” নিন বৰলীক তুলন। একট, ভরসাও পাইলাম। বলিলাম—