পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“আয়নার দেরাজে আমার ফটােগ্রাফ আছে। বাড়ীর ভিতর থেকে চেয়ে নিয়ে, আমার জীবনচরিতের সঙ্গে সে ছবিও একখানা ছেপে দিও। কিন্তু মরার খবর দেবে বলম্ব বাড়ীর লোক কে’দে কেটে অসির হবে যে ?" "গোপনে তাঁদের বলে দেব এখন। তবে লোক দেখান একটু কান্নাকাটি করতে হবে আমি বলিলাম,-“তা যেন হল। কিন্তু বছর দুই পরে যখন আমি বেরব—তখন অবিনাশ বলিল,—“তখন এই সংবাদ প্রচার করা যাবে যে, কয়েকজন দবত্তের ষড়যন্ত্রে হঠাৎ আপনি ধত হয়ে তিব্বতে কিংবা চাঁনে—ঐরকম একটা জায়গায় নীত হয়েছিলেন, এখন মন্তি পেয়ে স্বদেশে ফিরে এসেছেন। অমক সংখ্যা থেকে ধারাবাহিক ভাবে আপনার এই দই বৎসরের আত্মচরিত বেরবে—সে কাহিনী পাঠ করে পাঠক যুগপৎ হষে, ক্ৰোধে ও বিস্ময়ে ক্ষিপ্তপ্রায় হয়ে উঠবেন-তা শত উপন্যাসের ঘনীভূত নিযাস–এই সব বলেটলে আরও খুব একচেটি গ্রাহক বাড়িয়ে নেওয়া যাবে।” "তার পর । - ఫి: একখানা উপন্যাস আমি ইতিমধ্যে রচনা করে রাখব এখন, তাই আপনার বেনামীতে মাসে মাসে ছাপা যাবে।” ভাবলাম ভাগ্যিস অবিনাশকে সঙ্গে আনিয়াছিলাম, নাহলে এসব বন্ধি কে দিত। আমার ত বন্ধিসদ্ধি লোপ পাইয়াছে। জিজ্ঞাসা করিলাম—“তা যেন হল, এখন পালাবার ७१ानि दि किल ििरुन् ?" “উপায় বলে দিচ্ছি।”—বলিয়া অবিনাশ টাইম-টেবিল বাহির করিল। লণ্ঠনটা উক্তজবল করিয়া দিল। কিয়ৎক্ষণ ঝ:কিয়া টাইম-টেবিলের পাতা উলটাইয়া বলিল—“আচ্ছা ক্যাটনমেণ্ট থেকে পৌনে দশটার সময় একখানা প্যাসেঞ্জার ছাড়বে; সেখানা সিটি টেশনে দশটা তিন মিনিটে পৌছবে, উনিশ মিনিটে ছাড়বে। সিটিতে গিয়ে আপনি সে গাড়ী ধরন। তুণ্ডলায় রারি এগারোটায় পৌছবেন। সেখান থেকে বায়োটার সময় পশ্চিম যাবার এক এক্সপ্রেস আছে। তাতে চড়ে লম্বা দিন।” “তার পর কাল সকালবেলা পলিস এলে তোমায় ত জিজ্ঞাসা করবে। তুমি কি বলবে ?" “বলব—আপনি কলিকাতা চলে গেছেন। ওরা বড় বড় স্টেশনে আপনাকে ধরাবার জন্যে টেলিগ্রাফ করে দেবে এখন। মরকে বেটারা খুজে ।” ঘড়ি খলিয়া দেখিলাম সাড়ে নয়টা। বলিলাম—“আর ত দেরী করলে চলবে না। বেরন যাক তা হলে।”—বলিয়া আমি একটি ছোট ব্যাগে অত্যাবশ্যক দই চারিটি জিনিষ লইলাম টাকাকড়ি কোমরে বাঁধিয়া লইলাম। বলিলাম—“তুমি জামা গায়ে দাও। আমায় তুলে দিয়ে আসবে চল।" অবিনাশ বলিল—“আমাকেও যেতে হবে ?” কাতর মিনতির সবরে বলিলাম—“তুমি না সঙ্গে থাকলে আমি যে হাতে পায়ে বল / পাইনে অবিনাশ ।” - অবিনাশ প্রস্তুত হইতে লাগিল। দুই হাতে তাহার দক্ষিণ হস্ত চাপিয়া বলিলাম --"অবিনাশ, তুমি আমার ছেলে নও—কিন্তু আমার ছেলেরই মতন। তোমার উপর আমার সংসার-আমার ব্যবসা—সব ভারই রহিল। দেখো, আমার সত্ৰী পত্র কন্যা যেন কোনও কষ্ট পায় না অবিনাশ "—প্রবল অশ্রবন্যায় আমার চক্ষ অন্ধ হইয়া আসিল। অবিনাশ সজলনেয়ে বলিল—“আমাকে আর অত করে বলতে হবে না। আমায় পায়ের ধলো দিন।" বলিয়া সে আমার পদযুগল পশ করিল। তাহারও চক্ষা দিয়া দর দর রায় আশ্রম লাগিল। - 靴 #####"ईसा प्रधानश व्हडि५ হইয়া ব্যাগহন্তে উঠিয়া দাঁড়াইলাম। বলিলাম—“ওহে, আমরা যে এমন অসময়ে বেরবে, হোটেলওয়ালা বেটার সন্দেহ হবে না Stre