পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৮২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দে মধ্যে লইয়া বলিলেন, “পঙ্কজ, আর-বিধবা-বিবাহ সম্বন্ধে তোমার শ্রত কি ?” এবার ছলনা করিয়া মিথ্যা উত্তর দেওয়া পঙ্কজিনীর পক্ষে একট কঠিন হইল। এ সম্বন্ধেও পঙ্কজিনী পুরাতন প্রচলিত হিন্দমতই পোষণ করিত—কিন্তু অন্যান্য বিষয়ের ল্যায় এটার উলটা উত্তর দিতে তাহার প্রাণে বাজে। স্বামী এতাবৎকাল বিধবা-বিবাহের ঔচিত্য ও প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে উচ্চকণ্ঠে অনেক বক্ততা করিয়াছেন—তাই পঙ্কজিনী একটু বিপন্ন হইয়া পড়িল। - হরসন্দরবাব পূঙ্কজিনীর হাতখানির উপর স্নেহের সহিত, বড় ভালবাসিয়া, হাত বলাইতে বলাইতে প্রশনটির পনেরক্তি করিলেন। পঙ্কজিনী তখন দইদিক বজায় রাখিবার চেষ্টায় থামিয়া থামিয়া বলিল—“হ্যাঁ-তা মন্দ কি ই-কার কার পক্ষে—দরকার হতে পারে।” হরসুন্দরবাবু বলিলেন, “সেই কথাই ঠিক পঙ্কজ সেই কথাই ঠিক। এক সময়ে আমি মনে করতাম, ত্রিশ বৎসরের নীচে যে কোনও সত্ৰীলোক বিধবা হলে, তার পক্ষে বিবাহ করাই কৰ্ত্তব্য-নইলে সামাজিক নীতির হানি হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু কিছ দিন থেকে আমার সে মতের পরিবত্তন হয়েছে। এখন আম:র মনে হয়, যে সত্ৰীলোকের সন্তানাদি হয়েছে, স্বামী মারা গেলেও যার অন্নবস্ত্রের অভাব হবে না—এমন সত্ৰীলোকের পক্ষে বিধবা-বিবাহ করা, বোধ হয়, সঙ্গত নয়। তোমার কি বিশ্ববাস পঙ্কজ " এ প্রশন শনিয়া পঙ্কজিনীর বকের ভিতরটা হঠাৎ যেন কি রকম হইল। তাহার মাথা যেন ঘরিয়া উঠিল। দই চক্ষ দিয়া আশ্রজেল যেন ঠেলিয়া বাহির হইতে চাহিল। সে কথা কহিতে পারিল না। একটু অপেক্ষা করিয়া হরসন্দরবাব আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, “তোমার কি বিশ্ববাস পঙ্কজ ?” বাপরাধ কণ্ঠে পঙ্কজিনী বলিল, “আমার কি বিশ্বাস, শনবে ?” “झूज॥” “আমার বিশ্বাস, যে স্মীলোক তার স্বামীকে প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছে, তার বয়স । শঞ্চাশই হোক আর পনেরোই হোক, সে দশ ছেলের মা-ই হোক আর নিঃসন্তানই হোক, গাজরাণী হোক আর পথের ভিখারিণীই হোক--তার যদি কপাল পোড়ে—যদি সে বিধবা হয়—তাহলে আবার বিবাহ করা তার পক্ষে মহাপাপ, মহাপাপ ।” পঙ্কজিনী চাপ করিল। তাহার নিঃশ্বাস ঘন ঘন পড়িতেছিল। ঘরে ষথেষ্ট আলো ছিল না, থাকিলে দেখিতে পাইত, তাহার রোগক্লিন্ট স্বামীর মুখে একটা প্রসন্নতার জ্যোতিঃ ग:ीैशा छै*िझाएइ । দ্বিতীয় পৱিচ্ছেদ "| মাৰে মাঝে দুই একদিন করিয়া কলেজ কামই হইতে লাগিল। একদিন একটু ও দেখা দিল। বন্ধ বান্ধবের পরামশে সে দিন ১৬ টকা ভিজিট দিয়া মেডিক্যাল কলেজ হইতে একজন বিখ্যাত সাহেব-ডাক্তারকে আনিয়া দেখান হইল।. তাঁহার ব্যবস্থানাযায়ী ঔষধ সেবন করিয়া হরসন্দরবাব একটু ভাল আছেন, আজ পাঁচ দিন পরে কলেজে গৈয়াছেন । বিপ্রহরের পর পঙ্কজিনীর একজন সখী শরৎশশী আসিয়া দশন দিল। শরৎ, পঙ্কজিনীর সমবয়মকা, ব্রাহ্মণকন্যা, তাহার স্বামী হাইকোর্টের একজন এটাণ শরৎশশী হিন্দুঘরের বধ হইলেও, বেশ লেখাপড়া জানে—বরং পঙ্কজিনীর অপেক্ষা বেশীই জনে। গামীর কাছে একটু ইংরাজিও পড়িয়ছে। শরৎশশীর একটি ছেলে হইয়াছিল, সেটি

  • శాణా శ్యా శాf శాః ఆణి కాళి