পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৮৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


BBBB BBBBBB BBBB BBBB SBBB S BBBB BB BBBB BB BBBS BBB BBB বসিয়া, চা-সহযোগে বুকুবাব সেই পট্টিরটি ভক্ষণে রত হইলেন। চা-সেকনান্তে বাব আর একবার তামাক হুকুম করিলেন। বলিলেন—“তমাক সঙ্গে একখানা এক্কা ডেকে আনত—অষ্টভুজা যাব ।” পবে বলিয়াছি, এই নিবসে আসিয়া কেহ অধিক দিন থাকে না; বকুবাব ও পলাইতেন--কিন্তু তাঁহার অবস্থিতির একট বিশেয কারণ ঘটিয়াছে। অষ্টভুক্ত পাহাড় উঠিবার সোপান-শ্রেণী যেখানে আরম্ভ হইয়াছে, তাহার অনতিদারেই একজন বাঙ্গালী BBBBSBBBBB BB BBBSBBB BBBBBB BBBBBS BBBB BBB BB BBBS BBBB BBBBBS BBBBB BBBB BBBB BB BBBB BBBBBBS DDD লোকের কত কঠিন ব্যাধি নাকি তিনি আরোগা করিয়া দিয়াছেন। এই শেষোক্ত ক্ষমতার কথা শুনিয়া, কয়েকদিন হইতে মাঝে মাঝে বঙ্কুবাব, ব্রহ্মচারী মহাশয়ের নিকট যাতায়াত করিতেছেন–কিন্তু এখনও কোনও সুবিধা করিতে পারেন নাই। বাবাজী সহজে কাহাকেও ঔষধাদি দেন না। কেহ ঔষধ প্রার্থনা করিলে বলিয়া থাকেন—“বাবা, রোগ হয়েছে, ডাক্তারের কাছে যাও—আমি কি ডাক্তার ?”—বশুকুবাব ও রোগের কথা পাড়িয়া প্রথম দিন এই উত্তরই পাইয়াছেন। যাহার উপর বাবার বিশেষ দয়া হয়, সেই নাকি ঔষধ পায়। ঔষধ বিশেষ কিছুই নৱ-নিবাপিত হোমকুণ্ড হইতে একমটি ভস্ম (বিভূতি) তুলিয়া বাব দেন। বঙ্কুবাবর বিশ্ববাস, যোগবল বা সাইকিক ফোসের দ্বারা সেই ভস্মগলিতে এমন একটা বিপৰ্য্যয় ঘটিয়া যায় যে, সেগুলি মহৌষধে পরিণত হয়। ধুমপান শেষ হইবার পরেই মথুরা আসিয়া সংবাদ দিল, এক্কা আসিয়াছে। তখন বেলা প্রায় আটটা। গলায় একখানা চাদর ফেলিয়া ছাত লইয়া বকুবাব বাহির হইলেন। ভৃত্যকে বলিলেন—এগারোটার সময় ফিরিবেন, সনানের জনা গরম জল যেন প্রস্তুত থাকে। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ এক্কাখানি ঋণ ঝণ করিয়া বিন্ধাচলের বাজারের ভিতর দিয়া চলিল। হিন্দসথানী ললনাগণ সনানান্তে, একহাতে ফুলের ডালি অন্যহাতে গঙ্গাজলপণে লোটা লইয়া, দলে দলে "বিন্ধ্যা-মাই”র মস্তকে জল চড়াইতে যাইতেছে—তাহারা পথপাশের সরিয়া দাঁড়াইতে লাগিল। বাজার পার হইয় প্রশসত রাজপথ দিয়া এক্কা ছটিয়া চলিল। দইপাশেবা বিস্তর পাথরের কারখানা—শিল, যতি প্রভৃতি দুব্য প্রস্তুত হইতেছে। কিয়ৎক্ষণ পরে বসতি ছাড়াইয়া পথ মাঠের মধ্যে পড়িল । একপাশেব রেলওয়ে লাইন, অপর পাশের ধান্যক্ষেত্র। এইরুপ একমাইল পথ অতিক্ৰম করিয়া আর একটি বসতি দেখা গেল। পথের দইধারে অনেকগুলি বাঁশের লাঠির দোকান। বসতি শেষ হইলে পথ রেলওয়ে লাইন পার হইয়া, আম্রবনের মধ্য দিয়া, অষ্টভূজা পাহাড়ের দিকে চলিল। এক্কা হইতে নামিয়া আশ্রমে পেপছিয়া বকুবাব দেখিলেন, ব্রহ্মচারীর শয়নকক্ষের কবাট বন্ধু—তাঁহার একটি শিষ্য-বালক ছায়াময় বারান্দার একপ্রান্তে বসিয়া পুথি পড়িতেছে। বকুবাব নিকটে গিয়া বললেন—“পাও লাগি বাবাজী " “জীব সহস্রম"—বলিয়া এই ক্ষুদ্র বাবাজী বঙ্কুবাবকে আশীব্বাদ করিল। বলিল —“বৈঠিয়ে বাবাজী। আজ এৎনা সবেরে ?” বৎকুবাব বলিলেন, “বিকালে অসিলে সাধুবাবার সঙ্গে ভাল রকম কথাবাত্ত কহিতে পাই না—অনেক লোকজন থাকে—তাই আজ এবেল আসিয়ুজ্ঞসকলsরবারে ত দেখিতেছি না—কবাট বন্ধ কেন ?” * 8েলা বলিল, “এখনও গরমহারাজ জাগেন নাই।” \ుణిల १8१