পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৮৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


থাকতে পারবে - “ BBBB B BBBBB BBBB BB BB BBB BBBBBBBS BBBS BB BBBBBBB সময় আমাকে বেরতে হবে দিদি।” ঘরে ক্লক ছিল, যামিনী দেখিল সাড়ে বারে: তবে ডেকে আনি।” দই মিনিট পরে হেমন্ত শুনিল ঝুম ঝুম করিয়া মলের শব্দ নিকটে আসিতেছে । হেমন্ত ভাবিল, যামিনী-দিদির পায়ে ত একগাছি করিয়া ডায়মন-কাটা মল দেখিয়ছি— ঝুম ঝুম করিয়া কে আসে : দিদিমার আওয়াজ কি এ রকমটা হইবে । সে শব্দ কিন্তু ঘর অবধি আসিল না বাহিরেই থামিয়া গল । হামিনী একাকিনী প্রবেশ করিয়া হাসিয়া বলিল, “দিদিমাব এখন অবসর হ'ল না ভাই—এখনও তাঁর অহিক সারা হয়নি। অন্য কাউকে তোমার যদি দরকার হয় ত বল। আয় কাউকে চাই ” হেমন্তের মুখ রাঙা হইয়া উঠিল । আশায় ও আনন্দে তাহার বকটি ঢ়িব ঢ়িব করিতে লাগিল। - ষামিনী হাসিয়া বাহির হইতে যাহাকে টানিয়া আনিল, কুসুম রঙের শাড়ীতে তাহার আপাদমস্তক আবৃত। তাহাকে ভিতরের দিকে ঠেলিয়া দিয়া সে বলিল, “এই নাও— তোমার রাণী নাও ভাই রাজা। রাজা ও রাণীর অভিনয় আমরা কেউ আড়ি পেতে দেখব না—সে আমরা থিয়েটারেই দেখে নিয়েছি। তামি এখন চললাম, নিশিচন্ত হয়ে দটো অবধি তুমি রাজড় কর। আমি ততক্ষণ তোমার জন্যে জলখাবার তৈরি করিগে ”— BBBB BBBB BB BBBBB BBB BB B uBBS BBB BuBB DDD DDBB BBS পঞ্চম পরিচ্ছেদ কাত্তিক মাস কাটিল, অগ্রহায়ণ আসিল। রাণী পিত্রালয়ে। এখন আর হেমন্তের কলেজ নাই, বস্তৃতা সাঙ্গ হইয়া গিয়াছে, ফালগন মাসে পরীক্ষা। কয়েকদিন বাড়ীতে থাকিয়া হেমন্ত বলিল, “এখানে গোলমালে আমার পড়াশনের বড়ই ব্যাঘাত হচ্ছে। কলকাতায় মেসে গিয়ে এ কটা মাস আমি থাকি।” পত্রের এই অধ্যয়নসপহায় পিতা কোনও বাধা দিলেন না। হেমন্ত মেসে গিয়া রহিল। ইতিমধ্যে তাহার শালীপতি কুঞ্জলালের সহিতও আলাপ হইষাছিল । মাঝে মাঝে আপিসের পর কুঞ্জ আসিয়া তাহাকে শিবপরে ধরিয়া লইয়া ষাইত। যামিনীর ভগিনীসেনহও এ সময় অত্যন্ত বাড়িয়া উঠিয়াছিল—প্রায়ই সে রাণীকে পিতৃগহ হইতে আনাইয়া নিজের কাছে রাখিত । ফালগন মাসে হেমন্তের পরীক্ষ হইল, রায় বাহাদরও বধকে নিজ বাটীতে পানস্নানয়ন করিলেন। বৈশাখের শেষে বি-এ পরীক্ষার ফল বাহির হইল। হেমন্তের নাম গেজেটে কোথাও খাজিয়া পাওয়া গেল না। গ্রামের ছটির পর কলেজ খলিলে রায় বাহাদর পত্রকে বলিলেন, “বড়াতে গোলেমালে পড়াশুনো ভাল হবে না। তুমি বরং কলকাতায় মেসে গিয়ে থাক।” পিতাকে হেমন্ত কিছু বলিতে সাহস করিল না। মার কাছে গিয়া, মেসে থাকা যে কি কট, আহারাদির বন্দোবসত সেখানে যে কিরূপ শোচনীয় ও সরাসথাহমিকর সমসত্ৰই সবিস্তারে বণনা করিল। গহিণী সভয়ে সবামীর নিকট এ কথা উত্থাপন করিয়া, তক্তিতি হইয়া ফিরিয়া অসিলেন । মেসেই হেমন্তকে বাইতে হইল। পিতৃ-আজ্ঞা অনুসারে প্রতি রবিবার প্রাতে হেমন্ত বাড়ী আসে, জলযোগাদির পর বৈকালে আবার বাসায় ফিরিয়া যায়। অতঃপরে যাতায়াতের পথে রাণীর শাড়ীর রঙটি পৰ্য্যন্ত আর সে দেখিতে পায় না। দ-ই রবিবার এইরাপে কাঢ়িলে, বাড়ীর একজন বিকে ঘসে দিয়া, সত্রীর নিকট হেমন্ত ২৭৬