পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৯৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জীবনাশ একটা ইতস্ততঃ করিয়া বলিল, “ওটা একটা সংযোগে পাওয়া গেছে।” BBBBBBB DDBBB BBB BBBBBB BBBB BBBBS BBBBBS SBB BBB যাক—কিছ সদ ধরে একখানা হ্যান্ডনেট লিখে দেব তোমায়। না না—সে তুমি বললেও শনিব না, সদে কিছু তোমায় নিতেই হবে। তুমি গরিব মানুষ, বিন সদে আমায় এত টাকা ধরে দেবে সে কি কথা ।” আজ ২৭শে শ্রাবণ। আজ ললিতের সহিত মণিমালার বিবাহ। এক সপ্তাহের জন্য নিকটে একখানি বড় বাড়ী ভাড়া লওয়া হইয়াছে—সেই বাড়ীতেই বিবাহ হইবে। দেশ হইতে মনতোষবাবর আত্মীয় কুটশগণ আসিয়াছেন। বিবাহবাড়ী গমগম করিতেছে। মনতোষবাবর বন্ধর অভাব নাই। বিবাহের দিন অনেকেই স্বতঃপ্রবত্ত হইয়া সাহায্য করিতে আসিলেন। অবিনাশকে মনতোষবাব প্রাতের গাড়ীতে নাটোরে পাঠাইয়া দিয়াছেন। দই মণ কাঁচাগোল্লা সেখানে ফরমাইস দেওয়া হইয়াছিল, সন্ধ্যার ট্রেণে তাহা সঙ্গে লইয়া অবিনাশ আসিয়া পেপছিবে। ললিত গায়েহলদে হইতে এই বাড়ীতেই আছে। আজ সেও পাঁচজনের সঙ্গে কাজকৰ্ম্মে লাগিয়া গিয়াছে । কলিকাতায় ছোট বড় বহুসংখ্যক সাহিত্যিক এবং সাহিত্যসম্পকিত ভদ্রলোকই নিমন্ত্ৰিত হইয়াছেন। সন্ধ্যার পর্বে হইতেই দুই একজন করিয়া পেপছিতে আরম্ভ করিলেন। উপে বাব নামক একজন উকীলের সহিত মনতোষবাব বসিয়া কথাবাত্ত কহিতেছিলেন। উপেন্দ্ৰবাব বললেন, “আপনার বেয়াইয়ের বইগলি যে আপনারা পান্ন মিত্রের হাত থেকে উদ্ধার করতে পেরেছেন, এটা খুব ভাল হয়েছে।” মনতোষবাব আশ্চৰ্য্য হইয়া বলিলেন, “কি বললেন আপনি ? বই আবার কবে উদ্ধার করলাম ?” "কেন, আপনার অবিনাশ ত পান্না মিত্রের কাণ মলে তার কাছ থেকে বইগুলির কপিরাইট কেড়ে নিয়েছে। আপনি কি কিছ জানেন না ?” “না, আমি ত কিছুই জানিনে। কি করে কেড়ে নিলে ? কবে ?” “বিলক্ষণ ! আমি মনে করেছি আপনি সবই জানেন। অন্ততঃ অবিনাশ ত আমাকে তাই বুঝতে দিয়েছিল। সে বললে, আমি ত কেবল বেনামদার।” (ধ্যাপার কি হয়েছে ?" উপেন্দ্ৰবাব তখন বলিতে আরম্ভ করিলেন, “ঐ পান্না মিত্তির আমার মক্কেল কিনা। দিন পনেরো হল, একদিন পান্না এসে আমায় বললে, এই দেখন এটর্ণি-বাড়ী থেকে এক নোটিস পেয়েছি; কালী ভটচায্যির ছেলে ললিত ভটচায্যির কাছ থেকে সব বইয়ের কপিপ্লাইট অবিনাশ দানপত্র লিখিয়ে নিয়েছে—নিয়ে এখন বলছে আমি কালী ভটচায্যির বই বিনা অধিকারে ছাপিয়ে বারো হাজার টাকা লাভ করেছি—সেই টাকা না দিলে আমার নামে নালিশ করবে -আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, বিনা অধিকারে ছাপিয়েছ নাকি?--সে বললে, ‘নী মখাই, এই দেখনে আমার দলিল। দলিল দেখলাম, সে দলিল কিছুই নয়। কিনেছে কেবল খানকতক হাভের লেখা কাগজ । কপিরাইট যার ছিল তারই আছে। বললাম তাকে সেই কথা। সে ত বিশ্বাসই করতে চায় না। তাকে সঙ্গে করে নিয়ে, তিন চার দিন বড় বড় উকীল কোঁসলির কাছে গিয়ে, বিস্তর ফী গণে, মত নেওয়া হল। " সকলেই বললে, কপিরাইট পান্নালাল কেনেনি, কপিরাইট যার ছিল তারই আছে। শেষে অধিনাশের এটর্ণির বাড়ী গিয়ে, অবিনাশকে ডাকিয়ে মিটমাট করা হল। পান্নালাল নগদ দুহাজার টাকা অবিনাশকে দিলে, আর স্বীকারপত্র লিখে দিলে যে কপিরাইটের আধিকাল্পী সে কখনও ছিল না এবং এখনও নয়; আর কখনও ওসব বই সে ছাপবে না। অবিনাশ লিখে দিলে, সে কপিরাইটের মালিকসবরূপ, নগদ দুহাজার টাকা পল্লার কাছ থেকে শেষ্ট্রে BCD BBB BBBB BBB BBB BB BBS BB BB BBB BB BB BB BBB BBS আপনাকে অবিনাশ কিছ বলেনি?” ২১