পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৯৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


母河1” “ত দিচ্চি। কিন্তু হ্যাণ্ডবিলগুলি দটোর মধ্যে চাই।” “দটো কি বলছেন –একটার মধ্যেই ছাপা হ্যাণ্ডাবল আপনাদের বাসায় আমরা পৌঁছে দেবো। পাসখানা লিখন ।” শেষ রজনী শেষ রজনী অদ্য নিতান্তই শেষ রজনী বিপরীত ব্যাপার-লোমহষণ কাণ্ড অদ্য সব্বজন সমক্ষে, প্রোফেসার বস একটা জীবন্ত মানুষ ধরিয়া ভক্ষণ করবেন আবার ইন্দুজাল প্রভাবে সব্ব"জনসমক্ষে তাহাকে পনর্জীবিত করিয়া দিবেন ইত্যাদি আহারাদি করিয়া, কুলদা বিজ্ঞাপন লইয়া গাড়ীতে বাহির হইল। রামরতন বাজাওলাদের বলিয়া দিলেন, “আজ তোরা খুব জোরে জোরে বাজাবি। কাল আমরা চলে যাব— তৈাদের ভাল করে বখশিস দিয়ে যাব।” - বেলা ২টা হইতে বিকাল ৫টা অবধি সহরময় বিজ্ঞাপনটি রাশি রাশি বিতরিত হইল। ইহা পাঠ করিয়া সহরময় একটা হে হৈ ব্যাপার পড়িয়া গেল। অন্য দিনের ন্যায় অদ্যও সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় খেল আরম্ভ। কিন্তু ছটার সময় রামরতন বাসায় বসিয়া সংবাদ পাইলেন, টাউন হলের ম}ে ইতিমধেই লোক জমিতে সরে হইয়াছে। ভাগিনেয়কে বললেন, "ঠাকুরকে বল, চটপট তৈরী হয়ে নিক। রান্না যদি কিছু বাকী থাকে, নামিয়ে রাখক, ফিরে এসে তখন হবে।” খেলার সময় টিকিট বিরুয়ের ভার এই ব্রাহ্মণ ঠাকুরের উপর। হরিদাস ও কুলদা গেটে বসিয়া থাকে, টিকিট লইয়া শ্রেণী অনুসারে দশকগণকে থান নিন্দেশ করিয়া দেয়। রামরতন হরিদাসকে বলিলেন, “আমাদের ফাটো কেলাস দটাকার টিকিট এক সারি চেয়ার ত ?” “আস্তুে হ্যাঁ।” “আর এক টাকার সেকেন কেলাস তিন সারি ?” “আজ্ঞে হ্যাঁ!” “আচ্ছা, দড়ি খালে, এই চার সারিই আজ ফটো কেলাস বানিয়ে দিও। বাকী অর্ধেকে সেকেন কেলাস, থাডো কেলাস, ফোথে কেলাস-ও কেলাসে দ্য তিন সারি বৈঞ্চি রেখ মাত্র।” কুলদা বলিল, “তাতে চার আনার টিকিট বড় কমে যাবে যে !” রামরতন বলিলেন, “তা যাক। গািণতি মতন টিকিট নিয়ে বসবে। এক কেলাসের টিকিট ফরিয়ে গেলেই, তার উচ্চ কেলাসের টিকিট বেচবে।” তাড়াতাড়ি প্রস্তুত হইয়া, জিনিষপত্র ও লোকজন সহ রামরতন রওয়ানা হইলেন। টাউন হলে পেপছিয়া দেখিলেন, প্রাপ্ত সংবাদ মিথ্যা নহে,—মাঠে বিস্তর লোক টিকিটের জন্য অপেক্ষা করিয়া দাঁড়াইয়া আছে। বামন ঠাকুর বরের কাছে গিয়া টিকিট বিক্রয় করিতে বসিল। কুলদা ও হরিদাস গেটে বসিল। রামরতন স্টেজের উপর পাদর্ণর আড়ালে ম্যাজিকের সরঞ্জামগুলি গছাইতে প্রবত্ত হইলেন। מס