পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/১১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচন বাঙ্গল সাহিত্যে মুসলমানের অবদান Yo (t ফেলিল এবং পরদিন তাঙ্গকে হত্যা করিবে এই স্থির করিয়া তাহাকে বাধিয়া রাখিল । “ইতিমধ্যে বামু তাহার স্ত্রী মাণিকতারার কাছে সকল কথা বলিলে— সে তাহার পিসি পাঞ্চু নাম্নী অল্প বয়স্ক বিধবা ও কয়েকটি তরুণ পুরুষকে নর্তকীর সাজে সাজাইয়া এবং নিজেও অলঙ্কার পরিয়া একটা সেখীন ডিঙ্গিতে নদীপথে রওনা হইল। তাছার নাচ ও গানের আসর জমাইয়া জৌলস করিতে করিতে চলিয়াছিল। সেই রাত্রে কালু সর্দারের পুত্র দলু মিয়ার বাড়ীর নিকট দিয়া ঐ নৌক যাইতেছিল। দলুকে মাণিকতার প্রলোভন দেখাইয় নৌকায় লইয়া আসিল এবং পাচজন ছদ্মবেশী নর্তকী তাহার হাত-পা বাধিয়া নিজেদের বাড়ীরদিকে লইয়া চলিল । তাহাদের সঙ্কল্প—কালু-সর্দার যদি কানু-কোচের কোন অনিষ্ট করে, তবে কালুর একমাত্র পুত্র দলুকে তাহার হত্যা করিবে ।” এই খণ্ডিত পালাটি এইখানেই শেষ হইয়াছে। প্রথমেই ব্ৰহ্মপুত্র নদের বর্ণনা— “এদেশের উত্তর মাথালে আছে নদী বরাবর। নদী নয়রে সাত সমুদ্র দেখতে ভয়ঙ্কর। দেশের লোকে ডাকে তারে ব্রহ্মপুত্র কয়। আওয়াজ করে ব্রহ্মদৈত্য পানির তলে রয়। হায়রে গাঙ্গের কি বাহার ॥ ওরে ভার এপার আছে, ওপার নাইকো, চোখে মামলু হয় না ভার। ওরে তার পানির তলে পাক পইড়াছে, দেখতে লাগে চমৎকার ।