পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/১৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান ు రి ব্যাপক একটি দীঘী কত্তিত হইল । সেই দীর্ঘীর নাম ভেলুয়ার দীণী । তাছার জল এখনও ভেলুয়ার অশ্রর মত নিৰ্ম্মল, টলমল করিতেছে । “নাকের গোড়ায় পরাণ কাজির করে পড়ফর । থাপ্পর মারিল তারে মাঝি গরল পর ॥ জমিনের উপর কাজি পড়িল পাকাই। মরার মতন রৈল, হু স্পোস্ নাই ।” ভেলুয়াকে লইয়৷ সাধু বাড়া আসিল, কিন্তু নানাবিধ মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের সময় দেখা গেল—ভেলয়ার জীবন শেষ হইয়। গিয়াছে— “সাগরের পরে দিল ভেলুয়ার কবর। তারই কিনারে সাধু ঘুরে আট পহর । পেটে ক্ষুদ নাই তার, মুখে নাই বাণী । কলিজাতে লউ নাই, চক্ষে নাই পানি ॥” এইভাবে এক রাত্রে আমির যেন স্বপ্নে দেখিল আকাশ হইতে সাতটি পর কবর-স্থানে আসিয়াছে। তাহাদের সঙ্গে হাত ধবধরি করিয়! ভেলুয়৷ উদ্ধপথে চলিয়া গেল । টোন বারুইয়ের সারঙ্গ— “টোনা বারুইয়ার কথা কি করি বাখান । সারিন্দা বাজাইতে লাগলে গাঙ বহে উজান ॥ বনের বাঘ বশ হয়, কাদয়ে হরিণী । সাপে মাথা নোয়াইয়া থাকে, এমন সে গুণী।" আমিরকে শিষ্যরূপে গ্ৰহণ – “টোন বারুই বলে ফকির শুন দিয়া মন । সারিন্দা শিখিলে হ’বে দুঃখ-পাসরণ ॥