পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান כיל כי করে, দেহ-মুখ অপ্রত্যাশী সাধকও তাহার প্রেমের পাত্র হইতে র্তাহার মন ফিরাইয়া আনিতে পারেন না, তাহাতে যত কষ্টই না হউক । “মোমিনের ঘরে মামুদ গোপনে থাকিয় । সোনা মুখের হাসি মামুদ আইল দেখিয়া । শোন শোন মোমিন দোস্ত, তোমারে জানাই। সুখে থাকুক সোলা আমার কিছু নাহি চাই ॥ ছাওয়াল সব লইয়া সোনা থাকুক মনের সুখে। সুখের ঘরের কোণায় যেন দুঃখ নাহি ঢুকে ॥ যে ভাবে আছয় সোনা, থাকুক সেই বেশে । এদেশ ছাড়িয়া আমি যাব অদ্য দেশে ॥ এদেশে আইসাছি দোস্ত, কেউ জানি না শুনে। কি জানি, শুনিলে সোলা ব্যথা পাবে প্রাণে ॥ বাভাস থাক নদীর কুলে কইরা যাই মান। কাক-কোকিল গাছ বিরিক্ষি ষত বন্ধু জন ॥ আস্মানের চাদ-সুরুজ কহি সবার স্থানে। আমি যে আইসাছি, কথা রাখিও গোপনে ॥ শুন শুন গোষ্ঠের ধেনু, তোরে কইয়া যাই । আমার কথা না কহিও সোনা বিবির ঠাই ॥ শুনরে বহন্ত নদী উজান বইয় যাও। ন কইও ন কইও কথা আমার মাথা খাও ৷ দুঃখ পাইয়া সোনা যদি তোমার কুলে আইসে। জুড়াইও ভাপিত প্রাণ লীলারি বাতাসে । কোন দিন পুছে যদি আমার বারতা । সাজ্জ্বলা করিও তারে কইয়া এই কথা ॥