পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/২০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান సె% S AAAAAS AAASASAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAAAAASA SAASAASSAAAAA AAAA AAAASAAAAASA SAASAASAASAASAASAASAASAASAASAASAASAAAS পূৰ্ব্বেত বন্দনা করি তীর্থ বারাণসী। ঘরে ঘরে হরির নাম ছুয়ারে তুলসী। ভার দক্ষিণে বন্দি সোনার লঙ্কাপুরী। ইন্দ্ৰজিতের মাতা বন্দুম রাণী মন্দোদরী।” তারপরে কবি শরিয়তের পীরদিগকে বন্দনা করিয়া উপসংহারে “রাগ রাগিণী বন্দুম লক্ষ্মী সরস্বতী ।” এবং চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরী দেবতাদিগের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাইয়াছেন । ‘তুরস্নেহ ও কবরের কথা’ নামক গীতিকায় কবি লিখিয়াছেন— “বিছমিল্লাহ আর শ্ৰীবিষ্ণু একই গেয়ান। দোৰ্কাক করিয়া দিয়া প্রভু রাম রহমান।” * মনে হয়, এই সকল অশিক্ষিত কবিগণের হৃদয় এত নিৰ্ম্মল ছিল যে, সেই হৃদয়-দপণে সত্যের প্রতিবিম্ব যথাযথ ভাবে পড়িয়াছিল, যেখানে ব। কিছু আছে তাহা তাহারই রূপ, যেখানে যে-কেহ শ্রদ্ধাভরে তাহাকে প্রণাম করে সেখানেই এই সরল কবিরা ভেদবুদ্ধিহীন হইয় তাহাকে শ্রদ্ধা দেখাইয়াছেন। সেই শ্রদ্ধা আল্লাহ তা’লার পায়ে যাইয়া পৌছিয়াছে কিনা, তাহা আপনারাই বলুন। আপনার কবিকে ‘নিৰ্ব্বোধ কুসংস্কারগ্রস্ত' বলিয়া যদি সুখী হন, তবে আমি প্রতিবাদ করিব না, তবে এই কথাটি বলিতে চাই-একটি দুইটি কবি নহেন, এই গাথা-রচক মুসলমান-কবিদের অধিকাংশই এই ‘কুসংস্কার’ দেখাইয়াছেন। কেহ কেহ চৈতন্তদেবকে এত শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করিয়াছেন যে, আমরা নিশ্চয়ই বুঝিতে পারি, তিনি এই বাঙ্গালা দেশের হিন্দু-মুসলমান অভেদে প্রাণের রাজা ছিলেন । এই যে জগতের নানা বিচিত্রতার মধ্যে একের অনুভূতি ও নানারূপ বিরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে সামঞ্জস্তের চেষ্টা—তাহা বাঙ্গালী-প্রকৃতির স্বধৰ্ম্ম, একথা

  • পূৰ্ব্ব বঙ্গ-গীতিকা ৪র্থ খণ্ড, ২য় সংখ্যা ৫০১ খৃঃ।