পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/২২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন বাঙ্গল সাহিত্যে মুসলমানের অবদান ף כי כ মত অপার্থিব অম্লান সৌন্দর্য্যে ভূষিত করিয়াছে, রাণী কমলার অচঞ্চল মৃত্যুপণকে মৃত্যুর অতীত-লোকের ইঙ্গিতবাহী করিয়াছে। নাম ভিন্ন উহাদের কে হিন্দু কে মুসলমান বুঝিবার উপায় নাই, ইহার এক পরিবারের লোক ইহাদের লোকালয় আমরা । কবিগণ ষ্টিফেন ইঙ্গ দিয়া পারকার ফাউনটেন পেনে লেখেন নাই, তাহার। রাজানুগ্রহের পাগ মাথায় বাধিতে পারেন নাই, এমন কি তাহারা বাশের কলমেও লিখিয় যান নাই মানুষের স্মৃতিই ইহাদের অস্তরের ভাষার বাহন, এই বাহন বড় খামখেয়ালী, ইহা য’-তা’ বহন করিতে সম্মত হয় না, কেবল চট ক| জিনিস দেখাইয়। ইহাকে বশীভূত করা সায় না, মনের দরদ দিলে ইহ। সেই স্নেহ-চিহ্ন কবচের মত যুগ-যুগান্থর কণ্ঠস্ত করিয়া রাখে। এককালে হিন্দুর বেদকে এইভাবে স্মৃতিতে গাথিয় রাখিয়াছিল। আমাদেব গাথাগুলি বহু শতাব্দী যাবৎ এইভাবে নর-নারীর মনের আকুলতা ও স্মৃতির বলে টিকিয় আছে, নেংটপরা চাম। এখানে ভাব-রাজ্যের রাজা, নেংটাপরা সাধু ও ফকিরের মত ইহার রাজানুগ্রহ বা কোন সমালোচকের মুরবিবয়ান প্রত্যাশা করে না। শুভমস্তু—