প্রেমণরার হাটহদ { দাড়াতে শকতি নাই অমনি এসে শুলো । শুইয়ে আষাড়ে বলছে তখন হায়রে কি হোলো । ফাল্গুনী শুনিতে পেয়ে মাথা খুড়ে যায়। বলে ওমা মোর পতি কেন করে হায় কায় ॥ গীত । রাগিণী অ1লায়, তাল মধ্যমান । তোমার মনে এই কি ছিলেন হে হরি । কি করি কি করি । উপায় ন দেখি অণর, করে। হে সে পরে নিস্তর, এ মাতন সহিতে অণর নারি । অtমি নারী কুলবণল অধিনী, পতির জ্বালায় চিরদিন হয়ে অগছি জুখিনী, আমার মত নাইকে হে অভাগিনী । হরি করেছ আমারে হে কাঙ্গালিনী । পতির দণয়ে প্রণ • যায়, কেবল প্রেমণর খেলায়, সৰ্ব্বস্ব ধন হেরে হোলে। ভিখারি । কিছুদিন পরে আষাড়ে ও ফালগুনীর পরলোক প্রাপ্তি श्झेल । আষাড়ে ফাল্গুনীর কথা এপর্য্যন্ত অন্ত । অতঃপর শুন এক বাসাড়ের বৃত্তান্ত ॥ বাসাড়ে নামক এক বিদেশী প্রেমারাবাজ, প্রেমারা খেলে যথা সৰ্ব্বস্ব ফুকেছে, একট পয়সা নাই যে স্বদেশে পঠায়, বা এই বিদেশে বাসা খরচ করে, এমত সময়ে
পাতা:প্রেমারার হাটহদ্দ.pdf/২৯
অবয়ব