পারে না। ইহার ভিতর নিশ্চয়ই কোন গূঢ় রহস্য আছে সন্দেহ নাই।”
ডাক্তার বাবুর কথা শুনিয়া আমি আন্তরিক সন্তুষ্ট হইলাম। কেন না, আমিও ইতিপূর্ব্বে ঐরূপই স্থির করিয়াছিলাম; কিন্তু কোন উত্তর করিলাম না। আমার ঠিক পার্শ্বে মনমোহন বাবু দাঁড়াইয়াছিলেন। ডাক্তার বাবুর কথায় তিনি হাসিয়া বলিলেন, “তবে কাল রাত্রে রামের ঘরে ভূত ঢুকিয়াছিল। সেই-ই রামের বড় স্ত্রীকে হত্যা করিয়া এইরূপে ঝুলাইয়া রাখিয়া গিয়াছে।”
কথাটা যেভাবে তিনি বলিলেন, তাহাতে আমার ভয়ানক রাগ হইল। ডাক্তার বাবু রাগে থরথর করিয়া কাঁপিতে লাগিলেন। কিছুক্ষণ পরে কিছু শান্ত হইয়া বলিলেন, “আমি আপনাকে কোন কথা বলি নাই এবং আপনার নিকট উত্তর পাইবারও আশা করি নাই। এখানে থানার ইন্সপেক্টর বাবু স্বয়ং উপস্থিত আছেন। আমার কথায় তিনি উত্তর দিতে পারিতেন।”
এই বলিয়া তিনি মনমোহনের দিকে চাহিলেন। পরে জিজ্ঞাসা করিলেন, “আপনার নাম কি? নিবাসই বা কোথায়?”
মনমোহন আন্তরিক ভীত হইলেন কিন্তু মৌখিক সাহস দেখাইয়া বলিলেন, “আমার নাম মনমোহন, এই পার্শ্বের ডিস্পেন্সারিতে কম্পাউণ্ডারের কার্য্য করিয়া থাকি।”
ডা। এই স্ত্রীলোকর সহিত আপনার কোন সম্বন্ধ আছে?
ম। আজ্ঞে না—আমি কায়স্থ, রামচন্দ্র মুচী।
ডা। তবে আপনি উপযাচক হইয়া কথা কহিলেন কেন?
মনমোহন ছাড়িবার পাত্র নহেন। তিনি গম্ভীরভাবে উত্তর করিলেন, “আপনাদের কথা অতি আশ্চর্য্য বলিয়া বোধ হইল, সেই