গিয়াছিল।কাল প্রাতে বাড়ী ফিরিয়া এই ব্যাপার দেখিতে পায়।
আ। রামা কে?
ক। জুতাওয়ালা মুচি। তাহার দুই বিবাহ। বড় স্ত্রীই খুন হইয়াছে।
আ। দুটী স্ত্রীই তবে বর্ত্তমান ছিল।
ক। আজ্ঞে হাঁ।
আ। কর্ত্তা বোধ হয় ছোটটীকেই বেশী ভালবাসিত। তাহার উপর যখন তাহাকেই লইয়াই বেড়াইতে গিয়াছিল, তখন বড় স্ত্রী যে অভিমান করিয়া গলায় দড়ী দিবে তাহাতে আর আশ্চর্য্য কি?
বাধা দিয়া কম্পাউণ্ডার বাবু বলিলেন, “আজ্ঞে বিচক্ষণ ও বহুদর্শী লোক মাত্রেই ঐ কথা বলিতেছেন। কিন্তু পুলিসের তাহাতে বিশ্বাস হইতেছে না। তাহারা কেবল দোষীর অন্বেষণে নিযুক্ত আছে! জানি না, কতদূর কৃতকার্য্য হইবে। তাহাদের কার্য্য তাহারাই ভাল বোঝে।”
আমি কিছুক্ষণ আর ঐ বিষয়ে কোন কথা জিজ্ঞাসা করিলাম না। সামান্য দুই চারিটা প্রশ্ন করিয়া আমি গাত্রোত্থান করিলাম। এমন ভাব দেখাইলাম, যেন বিলম্ব হওয়ায় আমি বড়ই ব্যস্ত হইয়া পড়িয়াছি।
আমাকে উঠিতে দেখিয়া কম্পাউণ্ডার বাবু আমার হাত ধরিয়া পুনরায় সেই চেয়ারে বসাইয়া দিলেন। পরে বলিলেন, “আর একটু অপেক্ষা করুন, আপনার কোচমান এখনই ফিরিয়া আসিবে। আপনার য়ত লোকের সহিত সাক্ষাৎ সকল দিন ঘটে না। যখন