আ। তবে কাহাকে দেখিয়া হাসিয়াছিল? সেখানে তখন ত আর কোন লোক ছিল না?
মা। ছিল- আমাদের পার্শ্বের বাড়ীর ছাদে মতিবিবি দাঁড়াইয়া ছিলেন। তিনি হোসেনকে বড় ভালবাসেন।
আ। মতিবিবি কে? সধবা কি বিধবা?
মা। সধবা।
আ। বয়স কত?
মা। প্রায় ত্রিশ বৎসর।
আ। হোসেনের বয়স ও ত প্রায় ঐরূপ?
মা। আজ্ঞে হাঁ।
আ। মতিবিবির স্বামী কি কার্য্য করেন?
মা। কিছুই নয়। তিনি বড়লোক, পয়সার অভাব নাই।
আমি আর কোন কথা না বলিয়া তখনই তথা হইতে বাহির হইলাম এবং মতিবিবির বাড়ীতে গমন করিলাম। প্রৌঢ়ার নিকট হইতে মতিবিবির স্বামীর নাম জিজ্ঞাসা করিয়া জানিলাম, তাঁহার নাম হাফেজআলি।
বাড়ীতে প্রবেশ করিবামাত্র একজন ভৃত্য আমার নিকট আসিয়া আমার আগমনের কারণ জিজ্ঞাসা করিল। আমি তাহাকে হাফেজআলি বাড়ীতে আছেন কি না জিজ্ঞাসা করিলাম।
ভৃত্যের মুখে শুনিলাম, তিনি বাড়ীতে আছেন। ভৃত্যকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “এখন তাঁহার সহিত সাক্ষাৎ হইতে পারে?”
আমার পুলিসের বেশ দেখিয়াই হউক বা যে কোন কারণে হউক, ভৃত্য তখনই বাড়ীর ভিতর গেল এবং সত্বরে ফিরিয়া আসিয়া আমাকে পরম সমাদরে উপরে লইয়া গেল।