প্রয়োজন আছে। যদি বিরক্ত না হন, তাহা হইলে কিছুক্ষণ নির্জ্জনে আপনার সহিত কথা কহিতে ইচ্ছা করি।”
আমার কথায় অপর দুইজন লোক যেন বিরক্ত হইলেন; তাঁহারা আমার দিকে রাগান্বিতভাবে চাহিয়া রহিলেন। কিন্তু হাফেজআলি সেদিকে ভ্রুক্ষেপও করিলেন না। তিনি আমার দিকে চাহিয়া ঈষৎ হাসিয়া গাত্রোত্থান করিলেন; পরে বলিলেন, “আসুন, আমরা পার্শ্বের ঘরে যাই।”
পঞ্চম পরিচ্ছেদ।
যে প্রকোষ্ঠে হাফেজআলি আমাকে লইয়া গেলেন, সে ঘরটী ছোট, কিন্তু এমন সুন্দররূপে সজ্জিত, যেন একখানা ছবি বলিয়া বোধ হয়। ঘরের ভিতর দুইখানি মাত্র বসিবার আসন ছিল, একখানিতে আমাকে বসিতে বলিয়া অপরখানিতে স্বয়ং উপবেশন করিলেন। .
কিছুক্ষণ পরে আমি বলিলাম, “আপনার কথা শুনিয়া আপন নাকে বড়ই দুঃখিত বলিয়া বোধ হয়। আমিও একটা দুঃসংবাদ লইয়া আপনার নিকট আসিয়াছি। এ সময়ে সে কথা আপনাকে জানান উচিত নয়। কিন্তু কি করিব, নিতান্ত প্রয়োজন বলিয়াই সে কথা বলিতে বাধ্য হইলাম।”
বাধা দিয়া হাফেজআলি বলিলেন, “আমি যে ভয়ানক অসুখী; আমার ন্যায় হতভাগ্য যে এ জগতে অতি অল্প, তাহা আমার বেশ