ভৃত্য সেখান হইতে প্রস্থান করিলে পর, আমি আমেদআলির দিকে চাহিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “আপনার বাড়ী কি এই পাড়ায়?”
আমে। আজ্ঞে না—এখান হইতে প্রায় অর্দ্ধঘণ্টার পথ। তবে আমি অধিকাংশ সময়ই এখানে থাকি। এ পাড়ার সকলেই আমার বেশ পরিচিত।”
আমি। আপনি মহম্মদ বাজীওয়ালাকে নিশ্চয়ই চেনেন?
আামে। আজ্ঞে হাঁ—আমি কেন অনেকেই তাহার পরিচিত ছিল। বেচারি কাল হঠাৎ মারা পড়িয়াছে।
আমি। আপনি তাহার স্ত্রী মাল্কাকে জানেন?
আমে। বেশ জানি—তাহার মত ধুর্ত্তা রমণী আজ-কালের বাজারে অতি অল্প।
আমি। কেমন করিয়া আপনি তাহার ধূর্ত্ততা জানিতে পারিলেন?
আমে। তাহারই স্বামীর মুখে শুনিয়াছি।
আমি। মহম্মদ কি বলিয়াছিল? সে কি তাহার স্ত্রীর চরিত্র জানিত?
আমে। বেশ জানিত—কিন্তু একে চতুর্থ পক্ষের স্ত্রী, তাহাতে যুবতী; কিছুতেই মহম্মদ বশীভূত করিতে পারে নাই।
আমি। আপনি স্বচক্ষে কিছু দেখিয়াছেন?
আমে। না দেখিলে কি আপনার মত সম্ভ্রান্ত পুলিস-কর্ম্মচারীর নিকট সাহস করিয়া বলিতে পারিতাম।
আমি। কি দেখিয়াছেন।
আমে। এমে পাড়ার অনেক যুবকের সহিত তাহার গুপ্তপ্রেম