বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:প্রেম-পাগলিনী - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/৪০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৪০
দারোগার দপ্তর, ১৯৮ সংখ্যা

সময়ে সে নিশ্চয়ই সেখানে আছে!”

 আমি দ্বিরুক্তি না করিয়া গাত্রোত্থান করিলাম।


সপ্তম পরিচ্ছেদ।

 পণে আসিয়া সৌভাগ্যক্রমে একখানা গাড়ী দেখিতে পাইলাম। বিনা বাক্যব্যয়ে আমরা উভয়ে তাহাতে আরোহণ করিলাম, পরে কোচমানকে কাঁকুড়গাছি যাইতে বলিয়া দিলাম।

 মানিকতলার গোল পার হইয়া গাড়ীখানি ক্রমাগত পূর্ব্বমুখে অন্ধকারময় পথ দিয়া যাইতে লাগিল এবং প্রায় এক ঘণ্টার পর একখানি প্রকাও বাগানের ফটকে আসিয়। থামিল। হোসেনআলি আমাকে সেই স্থানে অবতরণ করিতে অনুরোধ করিলেন এবং স্বয়ং ধীরে ধীরে সেই বাগানের ভিতর প্রবেশ করিলেন। আমিও গাড়ী হইতে সত্ত্বর অবতরণ করিয়া তাঁহার অনুসরণ করিলাম।

 কিছু দূর যাইলে পর একটী আলোক আমার দৃষ্টিগোচর হইল। আমরা অন্ধকারময় পথের উপর দিয়া সেই আলোক লক্ষ্য করতঃ গমন করিতে লাগিলাম।

 যখন সেই আলোকের নিকটবর্ত্তী হইলাম, তখন দেখিলাম, বাগানের ভিতর একখানি ক্ষুদ্রকুটীর হইতেই ঐ আলোক বাহির হইতেছিল। তখন অতি সন্তর্পণে উভয়ে সেই কুটীরের দ্বারে উপস্থিত হইলাম। সৌভাগ্যক্রমে কুটীরের সেই দিকে একটী ক্ষুদ্র