আমি আশ্চর্য্যান্বিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “মাল্কা কে?”
প্রৌ। মহম্মদের এই স্ত্রীর নাম মাল্কা।
আ। তুমি এখানে আসিয়া কি দেখিলে?
প্রৌঢ়া যে যে কথা বলিল, পাঠক মহাশয় তাহা পূর্ব্বেই অবগত আছেন।
প্রৌঢ়ার শেষ কথা শুনিয়া আমি আর কোন কথা জিজ্ঞাসা করিলাম না। মৃতদেহ সত্বর সরকারী ডাক্তারখানায় পাঠাইয়া দিয়া আমি থানায় ফিরিয়া গেলাম।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ।
যখন আমি থানায় ফিরিয়া আসিলান, তখন রাত্রি দশটা বাজিয়া গিয়াছে। প্রৌঢ়ার মুখে পূর্ব্বেই মহম্মদের ভগ্নীপতির নাম ধাম শুনিয়াছিলাম। কিন্তু সেইরাত্রে বরাহনগরে গিয়া বিবাহ-বাড়ীতে উৎপাত করা যুক্তিসিদ্ধ নহে মনে করিয়া, আমি বিশ্রাম করিতে গেলাম।
পরদিন প্রত্যূষে প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া একজন কনষ্টেবলকে একখনি গাড়ী ডাকিয়া আনিতে আদেশ করিলাম। গাড়ী আনীত হইলে তাহাতে আরোহণ করিয়া কোচমানকে যথাস্থানে যাইতে বলিলাম।
বেলা ৯টার কিছু পূর্ব্বে সেখানে গিয়া উপস্থিত হইলাম। মহম্মদের অবস্থা ভাল না হইলেও তাহার ভগ্নীপতিকে ধনকান