পাতা:ফুলমণি ও করুণার বিবরণ.djvu/১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১১

আমার প্রতি কেহই দয়া করেন না। তাহাতে ফুলমণি কোন উত্তর না দিয়া বলিল, সে যাহা হউক, কৰুণা ত্তমি এই স্থানে এমত ব্যস্ত হইয়া কেন অাইলা? কৰুণা বলিল, চড়চড়ি রন্ধন করিবার নিমিত্তে কিছু তৈল তোমার নিকটে চাহিতে আসিয়াছি, ঘরে একটিও পয়সা নাই, আমার পুত্র এখনি কতকগুলিন চুনা মাছ ধরিয়া আনিয়া দিল, সেই গুলিন এই বেলার মত রন্ধন করিব। আমার স্বামিকে তো জান; সে আমাকে কিছু খরচ দেয় না, তথাপি খাইতে না পাইলে সমস্ত রাত্রি তিরস্কার করিতে থাকে।

 ফুলমণি বলিল, এ বড় মন্দ বটে, কিন্তু তোমার পয়সা নাই এই বা কেমন কথা? আমি প্রাতঃকালে শুনিলাম যে রমানাথ উপদেশক তোমাকে ডাকিয়া বলিলেন, আজি আমি পল্লীগ্রামে ঘোষণা করিতে যাইব; ত্তমি যদি আমার পীড়িতা স্ত্রীর নিকটে থাকিয়া তাহাকে সাগুদানা ইত্যাদি রন্ধন করিয়া দেও, তবে আমি তোমাকে ছয়টি পয়সা বেতন দিব।

 কৰুণা হাসিতে২ উত্তর করিল, আমাকে যে ডাকিয়াছিল সে সত্য বটে, কিন্তু আমি যাই নাই। মধুর স্ত্রী যে পলাইয়া গিয়াছিল, তাহার