পাতা:ফুলমণি ও করুণার বিবরণ.djvu/২০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২০ ? বাস না কর, ও এক সঙ্গে প্রচুর ভজনালয়ে না যাণ্ড, তাবৎ আমি তোমাদের জনে ঈশ্বরের নিকটে পাথনা কবিতে ক্ষান্ত হইব না : এই কথা শুনিয়া করুণার মুখ কিছু প্ৰফুল্ল হইল, কিন্তু পরে সে নিশ্বাস ত্যাগ করিয়া বলিল, আহা! এমন সুগতি কি আমার হইবে? আমার গৃহ কি কখন ফুলমণির গৃহের মত হুইবে? আমি কহিলাম, ককণা, অবশ্য হইতে পারে, কিন্তু এই নিমিত্তে তোমাকে চৌকি দিয়া প্রার্থনা করিতে হইবে । তুমি আপনার মনকে নিত}২ চৌকি দেও, যেন কোন প্রকারে পাপ তাহাতে প্রবেশ করিতে না পারে ; এবং কোন বিপদে পড়িলে ফুলমণির নিকটে গিয়া তাহার পরামর্শ লও, সে তোমাকে অবশ্য সদুপদেশ দিবে। এই সকল কথা সাঙ্গ হইবা মাত্র এক জন চেকিদার নবীনের বাপকে ধরিয়া ঘরে লইয়৷ আইল । তখন সে অতিশয় মাতাল হইয়া প্রায় অচৈতন্য হইয়াছিল। চৌকিদার কৰুণাকে বলিল, তোর ভাতারকে লও, গো । আমি না থাকিলে সে এখনি গাড়ীতে চাপ পড়িয়া মরিত। স্বামির অবস্থা দেখিয়া কৰুণার মুখ রাগেতে রক্তবর্ণ হইয়া উঠিল; তাহাতে আমি বলিলাম, সাবধান!