পাতা:ফুলমণি ও করুণার বিবরণ.djvu/২২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২২৪ পরে সে বিদায় লওনের সময়ে বলিল, কৰুণ, তোমার প্রতিদিনের সামান আচার ব্যব হার যাকাতে ঈশ্বরের ইচ্ছানুসারে হইতে পারে, এই অভিপ্ৰায়ে ধৰ্ম্ম পুস্তকের কএকটি নিয়ম তোমাকে লিখিয়া দিতে সাধুর বাপকে বলিব ; এবং এই দেখ, মেম সাহেব, দুই ঘণ্টা ইল সাধু এই তকতিখানি আমাকে দিয়া গিয়াছে ! * আমি সে তকতি কাতে করিয়া দেখিলাম, ঘে প্রেমচাঁদ তাহাতে এক থান শাদ কাগজ বনাইয়া অতি স্পষ্ট ৰূপে বড় ২ অক্ষরে ধৰ্ম্মপুস্তকহইতে তেরটা পদ লিখিয়াছে । ঐ বাক) সকল বাঙ্গাল। দেশস্থ খ্ৰীষ্টিয়ান স্থালোকদের প্রতি আতি, সুন্দরন্ধপে খাটে, ইহা বুঝিয়া ধৰ্ম্মপুস্তকের কোন স্থানে সেই পদ পাওয়া যায় তাহ সে সময়ে লিখিয়া লইলাম, এবণ এখন পাঠকবর্গের চিতাথে বিস্তারিত ৰূপে ব্যাখ্যা করি । যথা, গুষ্টিয়াল স্ত্রীলোকদের ব্যবহাষ্ঠের ধারা । ১ ঈশ্বরের প্রতি যাহণ কঞ্জত । ১, “তুমি সৰ্বদাই পরমেশ্বরকে সম্মুখে রাখ। ట్నీ দায়ুদের গীত । ১৬ । ৮ । ২. “নিরস্তর প্রার্থনা কর।” থিযলনীকীয়দের প্রতি প্রথম পত্র । ৫ । ১৭ ।