পাতা:ফুলমণি ও করুণার বিবরণ.djvu/২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হুইলাম বটে, কিন্তু “ যে জিহ্বা তোমার সহিত করিব,” ঈশ্বরের এই অঙ্গীকার আমাদের প্রতি তাছা কেহ বিশ্বাস না করিয়া প্রতিবাসি সকলে বুড়িকেই দোষ দিতে লাগিল । তদনন্তর আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, যে যুব পুৰুষ তোমার কন্যাকে বিবাহ করিতে অভিলাষ করিয়াছিল, শেষে তাহার কি ঘটিল ? ফুলমণি বলিল, মেম সাহেব ঐ আঁলোক যে ব্যক্তির কথা এক্ষণে এই স্থানে কহিতেছিল, সেই বুড়ির পুত্ৰ মধু আমার সুন্দরীকে বিবাহ করতে চাভিয়াছিল ! এক বৎসর পরে সে রাণীকে বিবাহ করিল ; কিন্তু রাণী এই প্রকারে তাহার নিকটহইতে দুইবার পালায়ন করিয়াছে। রাণী আমার সুন্দরীর সঙ্গে এক স্কুলে পাঠ করিত, তাহাতে উভয়ের অত্যন্ত প্ৰণয় হইয়াছিল। এই কারণ সুন্দরী গেলে পরে রাণী আমার নিকটে কখন ২ আসিয়া কিছু কাল বসিয়া সকল দুঃখের কথা বলিত ; কিন্তু প্রায় তিন মাস হইল সে আমাকে বলিয়াছিল, আমি যখন তোমার নিকটহইতে ঘরে যাই তখন স্বামী কিম্বা শাশুড়ী বড়