পাতা:ফুলমণি ও করুণার বিবরণ.djvu/৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


&৯ থাটের নিকটে এক থানা চৌকি জানিয়া বলিল, মেম সাহেব, আপনি ইহাতে বসুন । হায় : যে মাতাল ও দুষ্ট যুবপুৰুষের বিষয় আমি স্কুলমণির নিকটে শুনিয়াছিলাম, সেই মধুকে এখন প্রায় দেখিতে পাইলাম। সেই দিবস পুতুষে তাড়ার ভয়ানক উলাউঠা রোগ হুইয়াছিল, হ্যামি তাহাকে দেখিবা মাত্র জানিতে পারিলাম, তাঙ্গার বাচিবার কোন ভরসা নাই। পরে আমি বুড়িকে জজ্ঞাসিলাম, তোমারা উহারে কি ঔষধ দিয়াছ ? সে উত্তর করিল, মেম সাহেব, অনেক প্রকার ক্টষধ দিয়াছি, যে যাহা বলিয়াছিল তাঙ্ক: সকলই দিয়াছি । আমি বলিলাম, এ বড় অনুচিত কৰ্ম্ম জরিয়াছ, কারণ এক ঔষধ অন্য ঔষধের গুণ নষ্ট করে, তাহ কি তুলি জান না? কবিরাজ বুড়ির নিকটে চারি টাকা লইয়। মধুকে এক পান ঔষধ দিয়া দাবাতে তামাক গাইতেছিল, সে আমার কথা শুনিয়া ভিতরে আসিয়া বলিতে লাগিল, মেম সাহেব, আপনি যথার্থ কহিলেন । আমি ইহাদিগকে পূর্বেই বলিয়াছিলাম, তিন চারি প্রকার ঔষধ একেবারে খাওয়াইও না, কিন্তু ইহারা আমার কথা মানিল না ! মেম সাহেব, বাঙ্গালি স্ত্রীলোকদিগের