বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ফুলের মালা.djvu/৪৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

§ly ফুলের মালা । শক্তির সৰ্ব্বাঙ্গ জর্জরিত হইয়া উঠিল। সে বলিল, “সন্ন্যাসী না পিশাচ । থাম—আর বলিতে হইবে না। আমি চাহি না,— তাহাকে চাহি না—” উ। চাহিলেও পাইলে না—সে তোমাকে ধৰ্ম্মপত্নীরূপে গ্রহণ করিবে না । এখন বগ সেই মৰ্ম্মঘাতীর উপপত্নী হইবে— সহসা আর একজন দেী-প্রতিমায় পশ্চাদেশ হইতে আবির্ভাব হইয়া সন্ন্যাসীর কথা পূরণ করিয়া বলিলেন, “কিম্বা আমার প্ৰাণেশ্বরী হুইবে ?” তখন প্রভাত আরম্ভ চুইয়াছে। উষার অস্পষ্ট নবালোকৈ শক্তি সুলতান পুত্র গায়ক্ষপিনকে চিনিল। রাজকুমার নিকটে আসিয়া তাছার প্রক্ষিপ্ত হস্ত হস্তে ধারণ করিয়া কহিলেন, “সুন্দরি, বল তুমি বঙ্গেশ্বরী হইবে কি না ? তোমাকে ন পাইলে আমার রাজ্য ধন সমস্তই বৃথা !” মুহূৰ্ত্তকাল শক্তি বিচলিতমনা স্তম্ভিত হইয়া রহিল। একদিকে রাজ্য-সম্পদ, প্ৰেম-সম্মান ; অন্যদিকে দারিদ্র্য, অপমান, অবহেলা । একজন তাহার জন্ত সৰ্ব্বস্ব পণ করিতেছে, আর একজনের নিমিত্ত সে সৰ্ব্বস্ব পণ করিয়াও তাহাকে পাইতেছে না, পাইবার আশাও নাই । এ অবস্থায় নিজের ভাগ্য-নিৰ্ব্বন্ধ স্থির করিতে শক্তির অধিক সময় লাগিল না । মুহুর্তে আত্মস্থ হইয়া সে দৃঢ়ম্বরে বলিল, “জাহাপনা, আমি তোমার হইলাম!” রাজকুমার কণ্ঠ হইতে যখন হারক-হার উন্মোচন করিয়া তাহার কণ্ঠে পরাইয়া দিলেন, তখন কিন্তু তাহার সে দৃঢ়ভাব রছিল না ; তখন সহসা শক্তির মুখ পাণ্ডুবৰ্ণ হইয়া পড়িল, বন্ধ ওষ্ঠাধর কমল-দলের ন্যায় সুস্পষ্টরূপে কম্পিত হইয়া উঠিল ! = sensaqsesses