পাতা:বংশ-পরিচয় (চতুর্থ খণ্ড) - জ্ঞানেন্দ্রনাথ কুমার.pdf/৩০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

R Y89 ਜਿਨ | DD DDBB BB BDDL BDuDB DBB DLS DDBBBLSS DDB রহস্যাদি পূর্বের মত চলিতে লাগিল। একদিন সকলকে পাজি দেখিতে বলিলেন, কারণ সংসারের কোনরূপ অমঙ্গল না হয় এমন দিনে তিনি এখােন হইতে যাত্ৰা করিতে ইচ্ছা করেন। দিন ক্ষণ আলোচনা করিয়া পরবত্তী মঙ্গলবারের নিশা শেষে তাহার জীবন ত্যাগের দিন স্থির করিয়া সকলকে প্ৰস্তুত থাকিতে বলিলেন। আরও বলিলেন যে তঁাহাকে তীরস্থ করিবার কোনও প্রয়োজন নাই, যেহেতু শাস্ত্রানুসারে তঁহাদের বাটী গঙ্গার তীরভূমির মধ্যগত। অনেকেই মনে করিল তিনি রহস্য করিতেছেন বা প্ৰলাপ বকিতেছেন। নির্দিষ্ট মঙ্গলবারের পূর্ব রবিবার হইতে ফলের রস ত্যাগ করিয়া জল মাত্ৰ গ্ৰহণ করিতে লাগিলেন । অধিকাংশ সময়ই জপে কাটাইলেন। মঙ্গলবার নিশা শেষে ১২৯২ সালের ৮ই জ্যৈষ্ঠ তারিখে ( ইং ২৭শে ১৮৮৫ সাল ) বুধবারের অরুণোদয়ে ব্ৰাহ্ম মুহুর্তে সমস্ত স্থির হইতে দেখিয়া বুঝা গেল যে চন্দ্রমোহন নির্দিষ্ট সময়ে প্ৰাণত্যাগ করিয়া নিজের সংকল্প রক্ষা করিলেন। তঁহার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতুষ্পপুত্র তাহার মৃত্যুর দুইমাস পরে মৃত্যুমুখে পতিত হন। চন্দ্রমোহন একদিকে রাজপুরুষদিগের বিশ্বাসভাজন ও জনসাধারণের শ্ৰদ্ধার পাত্র ছিলেন, অন্যদিকে আত্মীয় স্বজনের সকল কাজেই প্ৰধান সহায় ছিলেন। প্ৰসন্নকুমার ঠাকুরের জমি সংগ্রহের কথা পূর্বেই বলা হইয়াছে। সেইরূপ গোপাললাল ঠাকুর যখন ভ্ৰাতার সহিত পৃথক হইয়া ভদ্রাসন ত্যাগ করিতে বাধ্য হন এবং গঙ্গাতীরে আবাস নিৰ্ম্মাণ করিয়া থাকিতে ইচ্ছা করেন, তখন চন্দ্রমোহনের মধ্যস্থতায় হোজার সাহেবের নিকট যাইতে বরাহনগর আলমবাজারের গঙ্গাতীরস্থ বাগানবাটী খারিদের ব্যবস্থা হয়। আমরা শুনিয়াছি যে চন্দ্রমোহনের মৃত্যুর কয়েক বৎসর পরে কালীকৃষ্ণ ঠাকুর যখন চন্দ্রমোহনের কতকগুলি পুস্তক চন্দ্রমোহনের ভ্ৰাতুম্পৌত্র অমরেন্দ্রনাথকে ফিরাইয়া দেন তখন বলেন যে চন্দ্রমোহনের