o ब३* ° ब्रि5ि१ ! হইয়াছেন । ১২৮৬ সালের ভাদ্র মাসে ৭৯ বৎসর বয়সে উপযুক্ত পুত্রের হস্তে বিষয় সম্পত্তি সম্পূর্ণ অৰ্পণ করিয়া বাত রোগে বৈকুণ্ঠ বাবু পরলোক, গমন করিলেন । ক্ৰমে মাস পূর্ণ হইল, যথোপযুক্ত ব্যয়াদি করিয়া মহিমাবাবু পিতৃশ্ৰাদ্ধ সম্পন্ন করিলেন । অবস্থানুসারে এখন হইতে মহিমা চন্দ্র রায় চৌধুরি মহাশয়! বিষয় কাৰ্য্যে মনোনিবেশ করিতে আরম্ভ করিলেন । এখন উভয় হিন্তাতেই প্ৰাচীন কৰ্ত্তার অভাব ; সুতরাং ইহারা কি ভাবে ষ্টেট পরিচালন করবেন। সকলেই সে জন্য চিন্তিত হইলেন । তখন উভয় হিন্ততেই উপযুক্ত লোক রাখিয়া তাহদের সহিত পরামর্শ করিয়া সুচারুরূপে ষ্ট্রেটর 'কাৰ্য্য চালাইতে লাগিলেন । মহিমাচন্দ্র রায় চৌধুরী মহাশয় বিশেষ বুদ্ধিমান ও কৌশলী লোক ছিলেন, তাহার কৌশল ভেদ করা বড় সহজ নয। তাই তাহার নিকট অনেককেই পরাজয় স্বীকার করিতে হইত । তিনি বিশেষ যত্ন ও চেষ্ট। সহকারে যাবতীয় কাজ কৰ্ম্ম পরিচালন করিতেছেন । পুত্ৰ মহেন্দ্ৰ বাবুকে লিখা পড়া শিক্ষার জন্য বিশেষ যত্ন করিতে কখনও ক্রটা করেন নাই । তৎপর নাগারপুরনিবাসী রাধাকান্ত দালাল মহাশয়ের কাৰ্য্য৷ শ্ৰীমতী শরৎকালী চৌধুরাণীর সহিত মহেন্দ্ৰ বাবুর বিবাহের সম্বন্ধ স্ক্রি" স্ত্র করিৱা ১২৮৭ সনে মায়ূমৈাসে অতি সমারোহের সহিত আমোদ প্ৰমোদ করিয়া বাইশরাশী নিজ ধামে বিবাহ কাৰ্য্য, সম্পন্ন করাষ্টর পর দিবস দান দাতব্য করিয়া, লোকজন দিগকে বিশেষরূপে আহারাদি করাইয়া বিশেষ শান্তি লাভ করেন । মহেন্দ্র বাবুর বিবাহের পর এ প্রকার আমোদ উৎসবে আর কোন বিবাহ কাৰ্য্যই এ পৰ্য্যন্ত বাইশরাশা ধামে হয় নাই । মহিম বাবু ও রাজেন্দ্র বাবু উভয়ের মধ্যে ভিন্ন ভাবের বা স্বাৰ্থপরতায় বীজ অবশ্যই অঙ্গরিত হইয়াছে, বৰ্ত্তমানে নানাকারণে মনো
পাতা:বংশ-পরিচয় (ষষ্ঠ খণ্ড) - জ্ঞানেন্দ্রনাথ কুমার.pdf/১৩৬
অবয়ব