পুত্রের জ্যেষ্ঠা কন্যার সহিত ও দ্বিতীয়বার ডাক্তার ভগবান রুদ্রের পৌত্রীর সহিত বিবাহ হইয়াছিল। ইহার জ্যেষ্ঠ কন্যার সহিত কলুটোলা-নিবাসী যোগেন্দ্রনাথ রাহা ও কনিষ্ঠা কন্যার সহিত পটলডাঙ্গা-নিবাসী মন্মথধন রায়ের বিবাহ হইয়াছে। তিনি প্রতিবেশী দুঃস্থ পরিবারবর্গের কষ্টে সহানুভূতিসম্পন্ন ও দুঃখীর দুঃখ-মোচনে সর্বদা মুক্তহস্ত ছিলেন। এবং তাঁহাদিগের সহিত আত্মীয়বৎ ব্যবহার করিতেন।
ব্রজজীবনের কনিষ্ঠ পুত্র অতুলকৃষ্ণ হাইকোর্টের বিখ্যাত উকিল বৈদ্যনাথ দত্তের এক কন্যার পাণিগ্রহণ করেন এবং ঐ স্ত্রী একমাত্র শিশুপুত্র চণ্ডীচরণকে রাখিয়া গতাসু হইলে অতুলকৃষ্ণ তাঁহার শ্বশুরের কনিষ্ঠা কন্যাকে বিবাহ করেন। চণ্ডীচরণ এখন হাইকোটের এটর্ণী। ইনি কলিকাতা বিডনষ্ট্রীট-নিবাসী চারুচন্দ্র মিত্রের এক পৌত্রীকে বিবাহ করিয়াছেন। অতুলকৃষ্ণের দ্বিতীয় স্ত্রীও একটী পুত্র ও দুইটী কন্যা রাখিয়া গত হইয়াছেন; পুত্র তারকনাথ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করিতেছেন। জ্যেষ্ঠা কন্যার ধর্ম্মতলানিবাসী ডিঙ্গাভাঙ্গা পালিত-বংশীয় পুলিনবিহারী পালিতের সহিত ও কনিষ্ঠা কন্যার শোভাবাজারের রাজা গোপেন্দ্রকৃষ্ণ দেবের জ্যেষ্ঠ পৌত্র কপিলকৃষ্ণ দেবের সহিত বিবাহ হইয়াছে। অতুল কৃষ্ণ T. C. Mookerjee কোং’র হেড ইঞ্জিনিয়র, স্পষ্টবক্তা এবং সাতিশয় আত্মীয়াবৎসল ও সদালাপী।
শিবনারায়ণের কনিষ্ঠ পুত্র শ্যামলাল বসু হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ছিলেন। চিকিৎসাবিদ্যায় ইহার এতদূর অভিজ্ঞতা ছিল যে, ইনি গঙ্গাতীরস্থ রোগীকেও আরাম করিয়াছেন। কলিকাতার বহু ধনিগৃহে ইহার পশার যথেষ্ট ছিল। বহু দীন-দুঃখীকে শ্যামলাল শুধু যে বিনা ফিতে চিকিৎসা করিতেন তাহা নহে, তাহাদের পথ্যাদিও নিজ ব্যয়ে ব্যবস্থা করিতেন। দীন-দুঃখীর প্রতি তাঁহার করুণার অন্ত ছিল না, বহুপ্রকারে তাহদের উপকার করিতেন। এই কারণে তিনি তাহদের