পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ä ob ব্যবস্থা দেয়, সে যদি পণ্ডিত, তবে মুর্থ কে ? এখন বৈঠকখানায় ভট্টাচাৰ্য্য ব্রাহ্মণ আসিলে সেই গ্রন্থ লইয়া বড় তর্ক বিতর্ক হয়। সেদিন স্তায়কচকচি ঠাকুর, মা সরস্বতীর সাক্ষাৎ বরপুত্র,—বিধবা বিবাহের সপক্ষে তর্ক করিঙ্গ বাবুর নিকট হইতে টােল মেরামতের জন্য দশটী টাকা লইয়া যায়। তাহার পরদিন সাৰ্ব্বভৌম ঠাকুর বিধবা বিবাহের প্রতিবাদ করেন। তাহার কন্যার বিবাহের জন্ত আমি পাচ ভরির সোনার বালা গড়াইয়া দিয়াছি । আর কেহ বড় বিধবা বিবাহের দিগে নয় ! আপনার দুঃখের কথা লইয়া তোমাকে অনেকক্ষণ জ্বালাতন করিয়াছি । তুমি না জানি কত বিরক্ত হুইৰে ? কিন্তু কি করি ভাই—তোমাকে মনের দুঃখ না বলিয়া কাহাকে বলিব ? অামার কথা এখনও ফুরায় নাই—কিন্তু তোমার মুখ চেয়ে আজি ক্ষাস্ত হইলাম। এ সকল কথা কাহাকেও বলিও না । আমার মাথার দিব্য, ঠাকুর উত্তৰ চরিত। (বঙ্গয় ৭ম জ ৪, ১২৭৯ জামাইকে এ পত্র দেখাষ্টও না । তুমি কি আমাদিগকে দেখিতে আসিবে না ? এই সময় একবার তাসিও, তোমাকে পাইলে অনেক ক্লেশ নিবারণ হইবে । তোমার ছেলেব সম্বাদ ও ঠাকুবজামাষ্টয়ের সম্বাদ শীঘ্ৰ লিখিবে । ইতি । সূৰ্য্যমুখী পুনশ্চ। আর এক কথা—পাপ বিদায় করিতে পারিলেই বাচি। কোথায় বা বিদায় করি ? তুমি নিতে পায় ? না ভয় করে ? কমল প্রত্যুত্তবে লিখিলেন,—* “তুমি পাগল হইয়াছ। নচেৎ তুমি স্বামীর হৃদয়প্রতি অবিশ্বাসিনী হইবে কেন ? স্বামীর প্রতি বিশ্বাস হারাইও না। আর যদি নিতাস্তই সে বিশ্বাস না রাখিতে পার—তবে দীঘির জলে ডুবিয়া মর। আমি কমলমণি তর্কসিদ্ধান্ত ব্যবস্থা দিতেছি, তুমি দড়ি কলসী লইয়া জলে ডুবির মরিতে পার। স্বামীর প্রতি যাহার বিশ্বাস রহিল না—তাহার মরাই মঙ্গল।” উত্তর চরিত। দ্বিতীয় সংখ্যা । পাঠকগণ অামাদিগকে মার্জনা করিবেন। মুখ, প্রতিমুখ, গর্ভ, বিমর্ষ, উপসংস্কৃতি গ্রগুক্তি নিৰ্ব্বাচনে আমরা অসমর্থ। নায়ক ললিত কি আমরা অলিঙ্কারিক নহি । অলঙ্কারশাস্ত্রের | শাস্ত, ধীরোদাত্ত কি উদাত্ত-নায়িকা স্বকীয়া প্রতি আমাদিগের বিশেষ ভক্তি নাই। এই | কি সামান্ত, মুগ্ধ কি প্রৌঢ়া—কোথায় তিনি উত্তরচরিত বাস্তবিক নাটক লক্ষণাক্রান্ত কি কি না—ইহা রূপক, কি উপক্লপক,—নাটক, কি প্রকরণ, কি ব্যাযোগ কি ত্ৰোটক – ইহার বস্তু কি, বীজ কি, বিন্দু কি, পতাকা কোথায়, কোথায় প্রকরী, কার্ঘ্য কি-এ সকল তত্বের সমালোচনে আমরা প্রবৃত্ত নছি! বাসকসজ্জা, কোথায় উৎকষ্টিতা, কোথায় বিপ্ৰলন্ধা, কোথায় প্রোধিতভত্ত্বকা—প্তাহার হাব ভাব হেলা, লীলা বিলাস বিচ্ছিত বিভ্রম বিকৃতাদি কি প্রকারে বর্ণিত হইয়াছে—তাহার বিচার করিয়া পাঠকের ধৈর্যাচুতি বিধান করিতে ইচ্ছুক নহি । কথিত আছে, ইছা