পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/২১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


थत्रगञ्जनि. छ|ः, ०२१° ।) স্বস্বভাবী বৰ্ত্তিভা । ૨. હા જે কোম- কপী প্রকাশ করিলে তাহীকে আপত্তির উল্লেখ ও খণ্ডন করিয়াছেন। निबांब्र१ कब्रा.अरेनष इहेरउtङ्ग। আপত্তি। নূতনমতের উদ্ভাবকদিগকে, প্রচলিতমভের বিরুদ্ধ কথা ভিন শ্রেণী যতই যন্ত্রণা দেও, তাহাদিগের কথা সত্য ভুক্ত হইতে পারে। (১) স্যায় সঙ্গত ৷ হইলে কাল সহকারে তাহ অবশ্যই প্রবল (২) সৰ্ব্বতোভাবে স্থায় বিরুদ্ধ এবং (৩) হইবেক । কিন্তু স্যায়বিরুদ্ধ কথা উত্থাপিত স্থায় অস্থায় উভয়মিশ্রিত অর্থাৎ বিরুদ্ধ | হইলে পীড়নের দ্বারা সত্বরই সমাজ হইতে মতের কতক সত্য এবং কতক অমূলক ! বহিষ্কৃত করা স্বায় ; অতএব বিরুদ্ধমত হইতে পারে । | নিৰ্য্যাতনের দ্বারা এক প্রকার মঙ্গল ১ । যখন বিরুদ্ধমত স্যায্য হয় — হইয়া থাকে, এ কথা স্বীকার করিতে नृछनभङ शांया श्हेप्न उाश निवाब्रम ; इंडप्वक । করা যে ক্ষতি জনক, এ কথা কেহই অ- } খণ্ডন। যদি একথাটি সত্য হয়, তবে স্বীকার করিবেন না। ফলত প্রচলিত ; মমুন্য সমাজের বড়ই দুরদৃষ্ট। যে ব্যক্তি মতের বিরুদ্ধ কথা যুক্তি সিদ্ধ হওয়া নূতন মত প্রকাশ করিয়া তাবতের অসম্ভাবিত নহে। যত দিন মনুষ্য দেব- মঙ্গল সাধন করেন উহাকে, কষ্ট দিলেই তুল্য না হয়েন, ততদিন কেহই এমন : কি পৃথিবীর মঙ্গল হইবেক ? কোথায় স্পৰ্দ্ধা করিতে পারেন না যে, আমার ; এরূপ ব্যক্তি জগন্মান্য হইবেন, না অগ্নিভুল নাই এবং আমার ভ্রান্তি প্রদর্শন ; পরীক্ষার দ্বারা তাহার মত সাব্যস্ত করা করিতে কি আমার বিরুদ্ধে মূল কথা আবশ্বক! বাস্তবিক তর্কটী সত্য নয়। প্রকাশ করিতে কাহারও সাধা নাই । ] কোন মতের জন্য যন্ত্রণা সহ করা কেবল বিচক্ষণ ব্যক্তিমাত্রেই আপনাদিগের | তৎপ্রতি অনুরাগের লক্ষণ। যে মতের মতি স্থির করিবার অগ্রে বিবেচ্য বিষয়ে প্রতি সম্যক প্রকারে বিশ্বাস ও মায়া যত প্রকার তর্ক উপস্থিত হইতে পারে, জন্মে, সত্যই হউক বা মিথ্যাই হউক তাহ তৎ সমুদায়ের প্রতি অনুধাবন করিয়া সমর্থন জন্য অনেকে প্রাণত্যাগ পর্যন্তও থাকেন। ইহাতেই বুঝা যাইতেছে ষে স্বীকার করিয়া থাকেন। - প্রচলিত মতের বিরুদ্ধ কথার প্রতি যত্ন ইহার প্রমাণ এতদ্দেশেওপাওয়া যায়। পূর্বক কৰ্ণপাত করা অত্যাবশ্বক। কারণ বখ, বৌদ্ধ ও বৈদিক ধর্মের বিরোধ। ঐ সকল মভ-স্থাপকের বর্তমান থাকি- বৌদ্ধধৰ্ম্ম এতদ্দেশ হইতে দূরীকৃত হইয় লেও ঐ রূপ করিঙেন। চীন জন্ধে অধিষ্ঠান করিলেন। আবার