পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/৩৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\రిyy ৰাঙ্গালী ভাষা । (૧urrf, જt, ૩૬૧કા) লেন। স্থতরাং কথকদিগের ব্যাখ্যায় | কয়িয়া লইলে সংস্কৃত পদ বলিয়, বোধ ভাষা শিথিলবন্ধনা হইতেছিল। দ্বিতীয় হইতে পারে, কিন্তু সমস্ত গাথনি ভাগভাগ বর্ণনার উদ্দেশ্ব সম্পূর্ণ বিভিন্ন, বতের স্থায় জটিল রীতি যুক্ত নহে। ইহার প্রকরণও বিভিন্ন, বর্ণনার উদেশ্ব ভাগবতের দুইটি সহজ শ্লোক লইয়া রুসোদীপন । কথায় বলে “রসের সার আমরা আমাদের কথার উদাহরণ প্রদান Fofo (Brevity is the soul of wit) করিতেছি – সকল সময় না হউক, অনেক সময়ে “এতস্তাং সাধিল সন্ধ্যায়াং ভূগৰান্‌ छूउडांदनः । কর্থকেরা র রচনার ব- ; يعني বটে। 发 ভাষা कि ੋ পরিঙ্গে ভূত পর্বন্তি বৃষেণাটতি ভূতৰটুি ॥ র্ণন সময়ে এই প্রকার চুটুকি প্রথার . শ্মশান চক্রানিল ধূলি ধূম্বৰিকীৰ্ণ ৰিভোত হার করেন, এমন কথা বলিতেছি না ; ভস্মাবগুণ্ঠ মলক্রশ্ন দেহে দেব গ্রিভি তাহাদের বর্ণনার ভাষার গাথনি চুটুকি । পশ্যতি দেবর স্তে ॥” রীতির। বড় ইটে ছোট বাড়ী গাথা যায় ; ; প্রথম শ্লোকার্দ্ধ ত্যাগ করিয়া শেষ সেই রূপ সংস্কৃত শব্দে চুটুকি ভাষা হয়। ভাগের ব্যাখ্যা সহজ বাঙ্গালা ভাষায় ইহার বাক্য (Sentence) গুলি ক্ষুদ্রাবর করিতে হইলে এইরূপ করিতে হইবে – বের হয়, অনেক ক্রিয়াপদ অনুক্ত থাকে, ভূতের রাজা মহাদেবের চারিদিকে অনেক ক্রিয়াবিশেষণ ও অনুক্ত পাকে, ভূতেরা বেড়িয়া থাকে আর তিনি ষাড়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাক্যের পর দীর্গচ্ছেদ থাকে, চড়িয়া বেড়াইয়া বেড়ান জার শ্মশানে কখন কখন কোন বিশেষ কপায় শ্রো , যে ঘূর্ণ বাতাস হয় তাহাতে ধূলা উড়িতার (বা পাঠকের) মনঃসংযোগ করান ; য় তাহার জটাতে লাগাতে র্তার জটা জন্য পুনরুক্তি থাকে, আর কপকদের ধূeার মত রঙের, কিন্তু তবু যেন জ্বলছে, স্থানে এই ভাষার সহায়কারী নানা ভঙ্গী | আর সেই সকল জটা চারিদিকে ছড়ান ; থাকে। এই ভাষা হৃদয়চ্ছেদ করিয়া পাটে মহাদেবের শরীর খাটি রূপারমত শাদ। পাটে বসিতে থাকে। ইহা উদ্দীপনার তাতে ছাই মাখান, আর তিনি তিনটি ভাষা। এই ভাষা সংস্কৃতেয় স্থায় অতি- চক্ষুতে দেখেন’ ইত্যাদি । দীর্ঘপদ-বাক্য বিশিষ্ট নহে, অথচ আধুনি | এইরূপ করিয়া ভাঙ্গিয়া মা বলিলে ক স্ত্রীলোকদের ভাষার মত অত্যন্ত এলে ! বা লিখিলে অনেকের বোধগম্য হয় মহে ; ইহাতে ছোট ছোট জমাট বাক্যের | না; ইহাকেই ব্যাখ্যার ভাষা, সংস্থতাপগাঁথনি থাকে। জমাটপদগুলি পৃথক | সারিণী ভাৰা বলতেছিলাম। ৰাগলার