পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/৪৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দেবগন, শেksধss ) , কেন যে আইন আদালতে কৃষকের উপকার নাই, তাহার একটি কারণ আমরা সংক্ষেপে নির্দেশ করিৰ ৷ - “ প্রথমতঃ, মোকদম অতিশয় ব্যয়সাধ্য হইয়া পড়িয়াছে। কি প্রকার ব্যয়, তাহার উদাহরণ আমরা দ্বিতীয় সংখ্যায় দিয়াছি, পুনরুল্লেখের আবশ্বক নাই । যাহা ব্যয়সাধ্য, তাহ দয়িদ্র কৃষকদিগের আয়ত্ত নহে । স্বতরাং তাহারা তদ্বারা সচরাচর উপকৃত হয় না ; বরং তদ্বিপরীতই ঘটয়া থাকে। জমিদার ধনী, আদালতের খেলা তিনি খেলিতে পারেন । দোষে হউক, বিনা দোষে হউক, তিনি ইচ্ছা করিলেই কৃষককে আদালতে লইয়া উপস্থিত করেন । তথায় ধনবানেরই জয়, সুতরাং কৃষকের দুর্দশা ঘটে, অতএব আইন অtদালত, কৃষককে পীড়িত করিবার, ধনবানের হস্তে আর একটি উপায় মাত্র। विडी তঃ, আদালত প্রায় দূরস্থিত । বাহা দুরন্থ, তাহা কৃষকের পক্ষে উপকারী হইতে পারে না। কৃষক ঘর বাড়ী চাৰু প্রভৃতি ছাড়িয়া দূরে গিয়া বাস করিয়া মোকদমা চালাইতে পারে না । ব্যশ্নের কথা দূরে থাকুক, তাছাতে ইহাuদর অনেক কাৰ্য্য ক্ষতি হয়; এবং অনেক অ নামে পালিশ করিতে গেল, সেই জৰী दश्रtभरश्वग्न झषक । রাগইরা গেল গায়,জার এক জন কৃষক গোমস্তার নিকট হইতে পাট্ট লইয়া তাহার, জমীখানি দখল করিয়া লইল । তস্তিন্ন আমাদিগের দেশের লোক, বিশেষ ইতর লোক অত্যন্ত আলস্য পল্পবশ। শীঘ্র নড়ে না, সহজে উঠে না, কোন কাৰ্য্যেই তৎপরতা নাই। দূরে-বাইতে চাহে না । কৃষক বরং জমীদারের অত্যাচার নীরবে সহ করিবে, তথাপি দূরে গিয়া তাহার প্রতীকার করি: ভে চাহে না। র্যাহারা বিচারকার্য্যে নিযুক্ত, র্তাহারা জানেন যে, তাহদের বিচারালয়ের নিকটবর্তী স্থানেরই মোক দমা অনেক, দূরের মোকদ্দমা প্রায় হয় না। অতএব বিচারক নিকটে থাকিলে যে অত্যাচারের শাসন হইত, দূরে থাকায় সে অত্যাচারের শাসন হয় না। ইহার আর একটি ফল এই হইয়া উঠিয়াছে যে, অত্যাচারী গোমস্তা রাই বিচারকের স্থলাভিষিক্ত হইয়াছে। যখন এক জন কৃষক অপরের উপর দোঁরাত্ম্য করে, তখন তাহার নালিশ জমীদারের গোমস্তার কাছে হয় । যখন গোমস্ত নিজে অত্যাচার করে, তাহার নালিশ হয় না, যে ব্যক্তি স্বয়ং পরপীড়ক, এবং চারি পয়সার লোক্তে সকল প্রকার अडान्नांब করিতে প্রস্তত, ভাষার হাতে বিচার কার্য্য থাকায়, দেশের কি অনিষ্ট হইতেছে, তাহ বুদ্ধিমানে বুঝিবেন। . তৃতীয়ত্ত, ৰিলশ্ব । সকল আদালতেই