পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/৫৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(वक्रमर्थन, ङेtः, »३१* } پیعیاتیاتیاتی جاتے۔ 5 ધૂળ । «sa ৰিৎ মহা মহোপাধ্যায়। তিনি বহুদিন অবধি পরিশ্রম করিয়া ধূলাতত্ত্বের কিয়দংশ জানিতে পারিয়াছেন। সুতরাং সমান্য বিষয় বলিয়া ধূলার উপর যে আদর হইয়াছিল, তাহার লাঘব হইল। আমাদিগের কপাল ক্রমে ধূলাও সামান্ত বিষয় নহে । বোধ হয়, এতক্ষণে পাঠকের কৌতুহল জন্মিয় থাকিবে যে, ধুলার ন্যায় সামান্ত পদার্থ সম্বন্ধে আচাৰ্য্য কি এমন নুতন কথা বলিয়াছেন। আমরা তাহার কৌতুহল নিবারণ করিব। বিশেষ, আচার্যের ঐ প্রবন্ধটি দীর্ঘ এবং দুরূহ, তাহ সংক্ষেপে এবং সহজে বুঝান অতি কঠিন কৰ্ম্ম । আমরা কেবল টিলগু সাহেব কৃত সিদ্ধান্ত গুলিই এ প্রবন্ধে সন্নিবেশিত করিব, যিনি তাহার প্রমাণ জিজ্ঞাস্থ হইবেন, তাহাকে আচার্য্যের প্রবন্ধ পাঠ করিতে হইবে । ১ । ধূল, এই পৃথিবীতলে এক প্রকার সৰ্ব্বব্যাপী । আমরা যাহা যত পরিষ্কার কুরিয়া রাখি না কেন, তাহ মুহূৰ্ত্ত জন্য ধূলা ছাড়া নহে। যত “বাবুগিরি” করি না কেন, কিছুতেই ধুলা হইতে নিস্কৃতি নাই। যে বায়ু অত্যন্ত পরিষ্কার বিবেচনা করি, তাছাও ধূলায় পূর্ণ। সচরাচর ছায়া মধ্যে কোন রন্ধ নিপতিত রৌদ্রেদেখিতে পাই যে, যে বায়ু পরিষ্কার দেখাইতেছিল, তাছাতেও ধূলা চিক চিক করিতেছে। ఉజీజ=as সচরাচর বায়ু যে এরূপ ধূলাপূর্ণ, তাহ জানিবার জন্তু আচার্য্যটিগুলের উপদেশের আবশ্যক নাই, সকলেই তাহা জানে । কিন্তু বায়ু ছাকা যায় । আচাৰ্য্য বহুবিধ উপায়ের দ্বারা বায়ু অতি পরিপটি করিয়া ছকিয়া দেখিয়াছেন । তিনি অনেক চেঙ্গির ভিতর দ্রাবকাদি পূরিয়া তাঁহার ভিতর দিয়া বায়ু ছকিয় লইয়া গিয় পরীক্ষা করিয়া দেখিয়াছেন যে, তাহাও ধূলায় পরিপূর্ণ। এই রূপ ধূলা অদৃশ, কেননা তাহার কণা সকল অতি ক্ষুদ্র । রৌদ্রেও উহা অদৃশ্য । অণুবীক্ষণ যন্ত্রের , দ্বারাও অদৃশ্ব, কিন্তু বৈদ্যুতিক প্রদীপের আলোক রৌদ্রপেক্ষাও উজ্জ্বল । উহার আলোক ঐ ছাকা বায়ুর মধ্যে প্রেরণ করিয়া তিনি দেখিয়াছেন যে, তাহাতেও ধূলা চিকচিক করিতেছে। যদি এত যত্ন পরিস্কৃত বায়ুতেও ধুলা, তবে সচরাচর o ধনী লোকে যে ধূলা নিবারণ করিবার উপায় করেন, তাহাতে ধূলা নিবারণ হয় ন, ইহা বলা বাহুল্য। ছায়া মধ্যে রৌদ্র না পড়িলে রৌদ্রে ধূলা দেখা যায় না, কিন্তু রৌদ্র মধ্যে উজ্জ্বল বৈদ্যুতিক আলোকে রেখা প্রেরণ করিলে ঐ ধূলা দেখা যায়। অতএব আমরা যে বায়ু মুহূর্বে মুহূৰ্ত্তে নিশ্বাসে গ্রহণ করিতেছি, তাহা ধূলিপূর্ণ। যাহা কিছু ভোজন করি, তাহ ধূলিপূর্ণ, কেননা বায়ুস্থিত ধূলিরাশি দিবা.. রাত্র সকল পদার্থের উপর বর্মণ,