পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/৫৯৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(षष्rशर्मव शiss१as ) “জ্ঞান সঞ্চয়ের নিমিত্ত স্মরণ এক .প্রধান সাধন। এই সাধন না থাকিলে | আমরা কিছুই শিক্ষা করিতে পারিতাম { না।” ৩ পৃষ্ঠা | “আমরা স্বভাবের হস্ত হইতে স্মরণ | পাইয়াছি। কিন্তু তিনি সকলকে সমান স্মরণ দান করেন নাই।” ৪ পৃষ্ঠা এই রূপ ৫, ৬, ৭, ৮ যথাক্রমে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত দেখিয়া আমরা কেবল এরূপ নুতন এবং দুজ্ঞেয় তত্ত্বই পাইলাম । গ্রন্থকারকে জিজ্ঞাসা করি,কোন উদ্দেশে এই গ্রন্থ খনি প্রচারিত হইয়াছে ? শিশুপাঠ বাঙ্গালার ইতিহাস । বগীর হাঙ্গামা হইতে লার্ড নর্থক্রকের আগমন পর্যন্ত । শ্ৰীক্ষেত্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রণীত r কলিকাতা ভারত যন্ত্র । ১১১ পৃষ্ঠায় পড়িলাম, “প্রিন্স অব আলফ্রেড’ এখানে আসিয়াছিলেন । গবর্ণর জেনারেল তাহাকে ষ্টার অব "ইণ্ডিয়া "উপাধি” দান করেন । তিনি আয় করটি উঠাইয়া দিয়া যান নাই বলিয়া তাহার সমাদরার্থে যে অর্থ ব্যয় হইয়াছিল, তাহা অপব্যয় হইয়াছে। যে গ্রন্থে এরূপ পাণ্ডিত্য, তাহ শিশুদিগের বা কাহারও পাঠ্য নহে। . কিন্তু ইহা অপেক্ষা এ গ্রন্থে আরও | গুরুতর দোষ আছে। ৪৩ পৃষ্ঠায় লিখিত হইয়াছে, “এমন কোন গ্রন্থকারই নাই, যিনি স্বর্ণময়ীর পারিতোধিক প্রাপ্ত ۲. اص ه প্রাপ্তগ্রন্থের সংক্ষিপ্ত সমালোচন। " సిని | হন নাই ।” ক্ষেত্রনাথ বাবু কে, তাহার কি অভিপ্রায়, তাহা আমরা কিছুই জানিনা ; বোধ করি, তিনি ভদ্র লোক এবং অসাবধানতাবশতঃই এমত লিখিয়াছেন; কিন্তু যদি তিনি ইহা না বুঝিতে পারিয়া থাকেন, যে কথাটি মিথ্য লেখা হইল, এবং অর্থলোলুপ ভিক্ষুকের তোষামোদের মত শুনাইবে, তবে তাহার বুদ্ধির প্রশংসা করিতে পারি না । লেখক মাত্র সম্বন্ধে এইরূপ অপবাদ প্রচার করিতে র্তাহার লজ্জা হইল না ? আমরা জানি, মহারাণী স্বর্ণময়ী অত্যন্ত দানপরায়ণা এবং অনেক ভক্ষুক গ্রন্থ লইয়া তঁহার দ্বারস্ত, মহারাণীও অকাতরে তাহাদিগকে অর্থ বিতরণ করিয়া থাকেন। কিন্তু এদেশের লেখক মাত্রেই যে তাহার পারিতোষিক ভোক্ত নহেন, তাহা বলা বাহুল্য। সৌভাগ্যক্রমে বঙ্গদেশে এখন অনেক গ্রন্থকার অ ছেন, যে র্তাহারা অন্তকে ভিক্ষা দেন,অষ্ঠের নিকট ভিক্ষার্থ | নহেন । র্তাহাদিগের মধ্যে অনেকের নাম এমন দেশব্যাপ্ত, যে এস্থানে নাম করিবার আবশ্বক নাই। এই লেখক, বোধ হয়, স্বশ্রেণীর লোক ভিন্ন অস্ত কাহাকেও চেনেণ না। তিনি র্যাহাদিগের কথা. বলিবার অভিপ্রায়ে লিখিয়াছেন, সেই শ্রেণীর লোক গ্রন্থকর্তা নামের অধিকারী বলিয়াই বঙ্গদেশে ভদ্রলোকে সচরাচর গ্রন্থ প্রণয়নে বিমুখ। বাঙ্গালা গ্রন্থ লেখা"