পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| ३,१+न्, १षः, $११• ) উদ্দীপনা । ఆశీ \ হইয়াছে, ভাল ইহার জন্য প্রায়শ্চিত দক্ষিণরণ্যে অষ্টাশক্তি ব্রাহ্মণভোজন। ২৩ নম্বরের পুতুলের দক্ষিণু হস্তের তার ছিড়িয়া গেল, | ৭ নম্বরের পুতুল আসিয়া বাধিয়া দিতেছে। সে বাধিতেছে, তাহার ‘ঘৰ্ম্ম হইতেছে, ২৬৪ সংখ্যার পুতুল বাতাস করিতেছে ; ੀ ਜੋ পুৰণিক সেই বাতাস করা ভাল করে হইতেছে কি না, তাড়াই দেখিতেছিল, ঐ ১৩ নম্বরের হাতের তার বাধা হইবামাত্র তাহাকে বিবাহ করিয়া লইয়া গেল। - এই রূপে ঋষিদিগের, শাত্মকর্তাদিগের কাল্পনিক গাথনির উপর গাথনিতে এক বৃহৎ মায়াময় অট্টালিক। হইল। উপবাসে, জপে, জাগরণে, নিত্য কৰ্ম্ম পালনে, কঠোর শাসনে লোক ব্যতিব্যস্ত হইয়া উঠিল। যাজনক্রিয়ার একয়িত্তকারী ব্রাহ্মণ জাতির উপর. সাধারণের দিন দিন অশ্রদ্ধা হইতে লাগিল । বিপ্রজাতির মধ্যবৰ্ত্তিতা অবহেলা করির লোকে যে ভক্তিতে ভগবানকে ভজিয়া চরিতার্থতা লাভ করিবে, তাহারও উপায় ছিল না । শাস্ত্রবিচ্যুত্ত্ব জাতিদিগকে স্পর্শন বা শুদ্ধ দর্শন করিলেও মহাপাপ, এই সংস্কার অনেকের মনে হওয়াতে তাহারা ঘৃণিত হইয়া, কদৰ্য্য বিষাক্ত সরীস্থপের দ্যায়, ধরণীবিবরে, পৰ্ব্বতগহবরে বাস করিতে লাগিল । ব্রাহ্মণগণ শাসনরজ্জ্ব ক্রমেই পেচাও কবিয়া অসংখ্য ফণশ, লোকের গলে, বক্ষে, হস্তপদে, করাঙ্গুলিতে, পদাঙ্গুলিতে দিয়া- দুজনে দুজনে ফাশ জড়াইয়া, দশ মুনে দশ জনে ফাশ জড়াইয়া, জাতিতে জাতিতে ফণশ জড়াইয়া, সমস্ত হিন্দু সমাজ এক বড় ফাশে জড়াইয়া ब्रजचूब झह भूष ५क्ज कब्रिब्र, जां★नांबा शर्मिष्ठ বসিয়া, কেবল দড়ি পাকাইতে লাগিলেন ; একটু টান পড়ে, আর তৈয়ারি দড়ি গেরে দিয়ে বাড়াইয়া দেন । কুরুক্ষেত্রের পর ভারতের এক বিশ্রামপ্রবৃত্তি হইয়াছিল, ভাস্কাতে দৃঢ় নিয়মবিষ সমাজের শাখায়, পাতায়, শিবে শিরে প্রবেশ করিয়া, লোকের মস্তকে, মস্তিক্ষে, কেশে, অস্থির মধ্যগত মজ্জাতে প্রবেশ করিয়া, সব একবারে জর জর করিয়া রাখিল । এই সময়ে নবমাবতীর বুদ্ধদেব জন্ম গ্রহণ করিলেন । র্তাহাকে ঐ সমস্ত বিপদ জঞ্জাল দূরীভূত করিতে হইবে। এক এক গাছি করিয়া তার ছিড়িলে এ কার্য্য ইষ্টবে না, তার এক জন আসিয়া বাধিয়া দিবে, অৰ্দ্ধেকের চেয়ে বেশী দড়ি একবারে ছিাড়া চাষ্ট । ফাশের দড়িতে একটু একটু করিয়া টান দিলে ত হইবে না। মাঝখানে এমন একটি আখাত করা চাই যে, সেই আঘাতে লোক এমন বেগে ছড়াইয়া পড়িবে যে, ব্ৰাহ্মণের হাস্ত হইতে বাধনের দুই মুখ খুলিয়া যাইবে, সে মুখ র্তাহারা আর ধরিতেও পারিলেন না, অথচ নূতন দড়ি পাকাইয়া “জোড় দিয়াও, আর বাধন রাখিতে পারিবেন না । যুদ্ধদেব তাহাই করিয়াছিলেন । তিনি এক বিরাট আঘাতে সমস্ত তার খণ্ড খণ্ড করিয়াছিলেন। তিনি এই অবসর, দিন দিন জড়ীভূত সমাজকেন্দ্রে এমনি একটি গুরুতর কেন্দ্রবিযোজক বলপ্রয়োগ করিলেন যে, ব্ৰাহ্মণদের কঠোর শাসন একবারে ছিন্ন ভিন্ন হইয়া গেল। সেই বেগ, প্রাচীন হিন্দু সমজের বন্ধন ছিন্ন করিয়াই পৰ্য্যবসিত হইল না ; ভারত সাগরের উসিস্কুল নীলজলরাশি তাইরে மன் ·_a--