পাতা:বঙ্গদর্শন-প্রথম খন্ড.djvu/৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* উদীপনা । - ●● ধৰ্ম্মপদ্ধ কঠোর নাস্তিকের পর্যন্ত আঁর আকর্ষণ कबिड:इं। 'भूविरोत्र भाषा ध्वैन जमाश्व মাছবেৰ নাম করিতে হটলে, যাওঁ খ্ৰীষ্টের সঙ্গে র্তাহাৰি নাম করিতে হয় । . আর্যাচলিত ಶ দূৰ পৰ্য্যস্ত আলোচনা কবিয়া, আমব বেশ বুঝিতে পাবিয়াছি যে, ভাৰতবর্ষে উদ্দীপনা মহাসাগরে চরের ছায় মধ্যে মধ্যে দেপিতে পাওয়া যায় মাত্র । তিন সচত্র বৎসব মধ্যে আমব উদ্দীপন বিস্তারিত হক্টতে তিন লাব দেখিয়াছি মাত্র । কিন্তু বুদ্ধদেব যে লতা বৰ্দ্ধিতা করেন, তাঙ্গ অনেক দিন পর্য্যস্ত জীলিত ছিল । বুদ্ধের মৃত্যুব অবাবচিত পবেষ্ট দেখিতে পাওয়া যায়, যে, মৌদগলায়ন সারি পুত্র প্রভৃতি উপচার শিষ্যগণ ভারতের নাম স্থানে পর্যাটন করিয়া হিমালয় প্রদেশ পৰ্য্যস্থ বৌদ্ধধৰ্ম্ম সংস্থাপন কৰিতেছিলেন। নানা বৌদ্ধ গ্রন্থে তাহদেব উপদেশবৃহস্থ বর্ণিত আছে। শাক্য সিংহের মৃত্যুৰ পর সক্ষত্ৰ বৎসব ভারতবর্ষ অত্যন্ত সমৃদ্ধিশালী, ছিল। ভারতসৌভাগ্য, চতুষ্পাদ পরিমিত চষ্টয়াছিল। সে সৌভাগাস্থর্যা কি রূপে অস্তগত হয় ; শঙ্কর দিগ্বিজয়ে তামাদের কত ক্ষতি হইয়াছে, তাঙ্গ বর্ণন করা এ প্রবন্ধের অভিপ্রেত নহে। প্রাচীন ভারতে উদ্দীপনা ছিল না, ইহাই দেখান আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। আমরা তাছাই দেখাইবার চেষ্টা করিয়াছি। মহাসাগর যেমন জলময়, ভারতু তেমনি কবিতাময়। মহাসাগরে দ্বীপ আছে, ভারতেও সেইরূপ উীপনা ছিল। এক্ষণে প্রবন্ধের সার কথাগুলি সঙে ভাবে প্রদর্শন করিয়া, কোন [s] মহাত্ম যদি এতদূর পাঠ করিয়া থাকেন, তবে আমরা তাহাকে তজ্জন্য ধন্যবাদ প্রদান করিয়া, উপসংহার করিতেছি । আমাদের কি ছিল না, তাহ দেখা উচিত। প্রাচীন ভারতে উদ্দীপনা ছিল না । যদ্বারা পরের মনোবৃত্তি সঞ্চালন, ধৰ্ম্মপ্রবৃত্তি : উত্তেজন, অন্যের মনে রস উদ্ভাবন করা, বা অন্যকে কার্য্যে লওয়ান যায়, তাহাকে উদ্দীপনা শক্তি বলে, উদ্দীপন কবিতা হইতে পৃথকৃ। কবিতা রসাত্মিক আত্মগত কথা । উদ্দীপনা অন্যোদ্দেশ্য, রসাত্মিক কথা। নিজনে চিস্তাই কবিতার প্রস্থতি, অন্য লোকের সহিত আলপেষ্ট উদ্দীপনার জন্ম হয়। ভাল থাকিলেই মন্দ আছে ; নিজনে-চিন্তায় অধিক কবিতা হইল ; উদ্দীপনা অতি অল্পমাত্র হইল ; তাঙ্গতে ভারতবর্ষীয়ের স্বতঃসন্তুষ্ট জাতি। ভাবতের সমাজভাগ ভূগোলভাগের মত। ভারতবর্ষীয়ের জীবন, স্রোতের ন্যায় ; আবার তাঙ্গতে স্বভাবজ কোন পদার্থেরই অভাব নাই। কাহারও বিশেষ সাহায্যের । আবশ্যকতা নাই, সুতরাং উদ্দীপনা কোথা হইতে হুইবে ? অভাব না থাকিলেও মানুষ কৰি হইতে পারে, সাধারণ স্থখ দুঃখ ৰোধ থাকিলেই কবি। কিন্তু উদ্দীপন বিশেষ ঘটনায় বিশেষ রূপে পরিবর্ধিত হয়। প্রাচীন ভারতে তিন সহস্ৰ বৎসরের মধ্যে আমরা दौर°ब्र मTांब्र उंकौ°न+ि७थरुण कांन डिमरुांज्ञ মাত্র দেখিতে পাই। পরের ঘটনাবলি আমাদের জালোচ্য বিষ্ণু আছে। এত বিস্তুত ভাবে পুরাবৃত্ত আলোচনার উদ্দেশ্য এই যে,