পাতা:বঙ্গভাষার ইতিহাস.djvu/১০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তর্করত্ন, লোহারাম শিরোরত্ন, মধুসুদন বাচস্পতি, রামগতি ন্যায়রত্ন, বাবু দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিদ্যালয় সমূহের ডিপুটি ইনস্পেক্টর বাবু রাধিকাপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বাৰু নীলমণি মুখোপাধ্যায়, হাইকোর্টের ইন্টারপ্রিটর বাবু শ্যামাচরণ সরকার, বাবু প্রতাপচন্দ্র ঘোষ, গ্রামবার্ত্তা সম্পাদক বাবু হরিনাথ মজুমদার এবং পাদরি লং ও রবিনসন সাহেব প্রভৃতি মহোদয়গণ বহু দিন অবধি বঙ্গভাষার উন্নতিকল্পে ব্রতী হইয়াছেন ।

বহরমপুরস্থ বিদ্যানুরাগা জমিদার বাবু রামদাস সেন, দীনপালিনী বিদ্যানুরাগিণী রাণী স্বর্ণময়ী, মুক্তাগাছাস্থ জমিদার বাবু সূর্য্যকান্ত আচার্য্যচৌধুরী এবং রাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর প্রভৃতি মহোদয়গণ বিদ্যোৎসাহিতাগুণে চিরস্মরণীয় যশোলাভ করিয়াছেন। যে কোন নূতন পুস্তক বা পত্রিকা প্রচারিত হয়, ইঁহারা অতি আগ্রহের সহিত তাহা গ্রহণ করিয়া থাকেন। এতদ্ভিন্ন কোন পত্রিকার সম্পাদক বা গ্রন্থ রচয়িতা উঁহাদিগের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিলে প্রশস্ত হৃদয়ে অর্থ দান করিতে কুণ্ঠিত হন না। রামদাস বাবুর রচনাশক্তিও সাধারণের হৃদয়গ্রাহিণী। ইঁহার রচিত তিনখানি কাব্য পুস্তক অতি সুললিত হইয়াছে । পূর্ব্বোক্ত বিষয় সকল সমালোচনা করিয়া, বঙ্গভাষার তিনটি অবস্থা নির্ণীত হইল। প্রথম, নানা ভাষার বিমিশ্র