পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (কায়স্থ কাণ্ড, প্রথমাংশ, রাজন্য কাণ্ড).djvu/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

২• বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস চতুর্থ অধ্যায়। ছিলেন। এখনও এই মহাস্থানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন সম্প্রদায়ের অতীত নিদর্শন যথেষ্ট রছিয়াছে। চীন-পরিব্রাজক পৌণ্ডবৰ্দ্ধন রাজধানী হইতে প্রায় ২০লি বা সাড়ে তিন মাইল দূরে ‘পে-বি-পো’নামে মহাযান-সম্প্রদায়ের একটা বৃহৎ বিহার দর্শন করিয়া ছিলেন",মহাস্থান গড়ের প্রায় ৪ মাইল পশ্চিমে বিহার ও ভাসুবিহার’ গ্রাম বিদ্যমান, এই ভাবিহারে “নরপতির ধাপ’ নামে একটা প্রকাও স্ত,প দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ইহারই পাশ্বে ‘সন্ন্যাসীর বাড়ী’ নামে একটা সুন্দর চিত্র-খোদিত ইষ্টকালয়ের ধ্বংসাবশেষ এবং তাঙ্গর উত্তরে শশাঙ্ক দীবী বর্তমান। ভাসুবিস্কারই সম্ভবতঃ চীন-পরিব্রাজকের ‘পো-ষি-পো’ বিহার । /কর্ণসুবর্ণ বা রাঢ়পতি মহারাজ শশাঙ্কদেব পৌণ্ডবৰ্দ্ধন অধিকার করিয়া এখানে পুষ্করিণী প্রতিষ্ঠা করিয়া থাকিবেন। রাজতরঙ্গিণী হইতে পৌণ্ডবৰ্ধনের যে বৰ্ত্তিকেয়-মন্দিরের পরিচয় পাইয়াছি, মহাস্থানগড়ের এক মাইল দক্ষিণপূৰ্ব্বে করতোয়াতীরে অধুনা গোকুল নামক স্থানে কাৰ্ত্তিকেয়দেবের একটা প্রকাও মন্দির ছিল, তাহারও প্রবাদ শুনা যায়।” এখানকার স্থানীয় করতোয়া-মাতাত্ম্যেও উক্ত কাৰ্ত্তিকেয়-নিকেতনের উল্লেখ আছে। এই সকল কারণে বর্তমান মহাস্থানই গৌড়ের সুপ্রাচীন রাজধানী পৌণ্ডবৰ্দ্ধন বলিয়া মনে করিতেছি। পালরাজগণের সময় পৌণ্ডবৰ্দ্ধন রাজধানী বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত হওয়ায় ও সেই সেই পাওদেশের রাজধানী বলিয়া তাহাও পরে পৌঁওবৰ্দ্ধনপুর’ নামে পরিচিত জ্ঞা আদি পৌণ্ডবৰ্ধনের নাম ক্রমে বিলুপ্ত বা পরিবর্তিত হইয়া থাকিবে। 2 iীব্রাজক বর্তমান মুঙ্গের দর্শন করিয়া লিখিয়া ছিলেন যে, অল্পদিন হইল নিকটবর্তী জনপদের রাজা এখানকার অধিপতিকে রাজ্যচু্যত করিয়া বৌদ্ধ শ্রমশদিগকে অর্পণ করিয়াছেন।" পরবর্তী কালে এই মুঙ্গেরই দেবপালের রাজধানী বলিয়া পরিচিত হয়।" সম্ভবতঃ তিনি মহাযান শ্রমণদিগের নিকট হইতে মুঙ্গের গ্রহণ করিয়া তৎপরিবর্তে এই স্থান তাহাদিগকে অর্পণ করিয়া থাকিবেন, তাহাদিগের নামানুসারে এই স্থান ‘মহাযানস্থান’ নামে পরিচিত হয়। পূৰ্ব্ব হইতে এই স্থানের কাৰ্ত্তিকেয়ের মন্দির প্রসিদ্ধ ছিল এবং তৎপরে মহাযানদিগের একটা কেন্দ্র বলিয়া পরিগণিত হইলেও বহুদূর দেশ হইতে পুণ্যার্থ তীর্থযাত্রিগণ এখানে আগমন করিতেন। ক্রমে হিন্দু ও বৌদ্ধ সাধারণের নিকট এই স্থান তীর্থ বলিয়া পরিচিত হইল। স্কনপুরাণীয় পৌণ্ড খণ্ডান্তর্গত করতোয়া-মাহায্যে ইহারই পরিচয় পাইতেছি। করতোয়া-মাহায়ো পঞ্চক্রোশী পুণ্যক্ষেত্র বলিয়া এই স্থান কীৰ্ত্তিত হইয়াছে। মহাযান স্থানই পরবর্তী কালে ‘মহাস্থান নামে পরিচিত হইল। পূৰ্ব্ব হইতেই এখানে গড় থাকায় এই স্থান ‘মহাস্থানগড়’ নামেও অভিহিত হইতেছে। যে পঞ্চ ব্রাহ্মণ কুলগ্রন্থে সাথিক মুনি বলিয়া প্রশংসিত, যে স্থানে তাহাদের প্রথম পদার্পণ ঘটয়াছিল—বে স্থান (so) Watters' Yuan Chuang. Vol II. p. 184. (s७) ब्रजभूब-नाश्ठिा-गब्रिष९ श्रउ अकांनिङ ‘ब७७ॉब्र शैडिशन', *२ १४l। (ss) Watter's Yuan Chuang, Vol. II. p. 178. (se) aম অধ্যায়ে ধৰ্ম্মপাল ও দেবপালের প্রসঙ্গ স্রষ্টব্য ।