পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (বৈশ্য কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/১০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


贸、 :* वरत्रग्न झांडीझ ইতিহাস [ દરજી-શાહ ! 3% यजमांभ्र জানা যায়, গ্রীকসেনানায়ক ফিলিপের হত্যাকাণ্ডের প্রশ্ন আলেক্সান্দৰ ইউভেমল ও ভক্ষশিলকে পঞ্জাবশাসনের ভারাপণ করেন। च्द e५७ ५: পূৰ্বত্বে আলেক্ট্ৰসাদরের মৃত্যুর পর ইউডেমস্ নিজে রাজা হুইবার **कि कैशब cगनांभडि हेèrमनिtणन चाब পুরুষরাজকে বিনাশ করেন। (Diodorus, XIX. 5) কাহারও মতে উক্ত চন্দ্রগুপ্ত পুরুষরাজের হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। ৩১৭ થઃ পূৰ্ব্বদে ইউডেমস্ সেনাপতি ইউমেনিসের সাহায্যাৰ্থ ৩••• পদাতি, ৫• • অশ্বারেই এবং প্রায় ১২০টা হস্তী লইয়া গবিনি-রণক্ষেত্রে উপস্থিত হন। এই অবকাশে চন্দ্রগুপ্ত জাতীয় স্বাধীনতা উদ্ধারের জষ্ঠ দেশীয় সামন্তবর্গকে উত্তেজিত করিয়া ভারত হইতে গ্রীকদিগকে বিতাড়িত ও পঞ্জাৰ অধিকার করেন। . . . + • ( Justinus, XV. 4. ) ষ্ট্রাবে লিখিয়াছেন, ইহারই অনতিকাল পরে সেলিউকস নিকেটর পুনরায় গ্রীকরাজ্য স্থাপনের জন্য (উক্ত) চন্দ্রগুপ্তের সহিত যুদ্ধ করিতে আসেন। কিন্তু তাহার সহিত চন্দ্রগুপ্ত মিত্রতাপাশে আবদ্ধ হন। মেগন্থেনিস লিখিয়াছেন, এই সময়ে সেলিউকস্ চন্দ্রগুপ্তের সহিত বৈবাধিক সম্বন্ধ স্থাপন করেন। প্লট্রার্ক লিখিয়ছেন, (উক্ত) চন্দ্রগুপ্ত ৫০০ হস্তী উপঢৌকন দিয়া সেলিউকসের সম্মান রক্ষা করেন। সেলিউকসের আদেশে গ্রীকদূত মেগন্থেনিস পাটলিপুত্র (Palembothra) নগরে চন্দ্রগুপ্তের সভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বর্ণনা করিয়া গিয়াছেন যে, চন্দ্রগুপ্তের স্কন্ধাবারেও চারিলক্ষ লোক উপস্থিত থাকিত। টার্ক একস্থানে লিখিয়াছেন যে, চন্দ্রগুপ্ত ছয়লক্ষ সৈন্য লইয়া সমস্ত ভারতবর্ষ জয় করিয়াছিলেন। গ্রীক ঐতিহাসিকগণ আলেকসান্দরের সমসাময়িক যে প্রাচ্যভূপতি চন্দ্রমসের পরিচয় দিয়াছেন, কেহ কেহ তাহাকে চন্দ্রগুপ্তের পূর্ববর্তী নন্দ বলিয়া গ্রহণ করিয়া থাকেন। চন্দ্রগুপ্তের পূর্বে ৯ জন নন্দ রাজত্ব করেন। হিন্দু, জৈন ও বৌদ্ধ গ্রন্থসমূহে যেরূপ আখ্যায়িকা পাওয়া যায়, তাহার কোথাও শেষ নন্দকে, নাপিতপুত্র বলা হয় নাই। বরং মুদ্রারাক্ষসের টীকাকার ঢুণ্টিয়াজ শেষ নন্দকে : শেষ ক্ষত্রিয়মৃপতি বলিয়াই বর্ণনা করিয়াছেন। সুতরাং xandrames নামধার চন্দ্রগুপ্তের পূর্ববৰ্ত্তী নন্দরাজকে বুঝাইতে পারে না। এদিকে গ্রীক ঐতিহাসিকগণ Sandrocottus (চন্দ্রগুপ্ত)এর যেরূপ পরিচয় দিয়াছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈনগ্রন্থবর্ণিত চন্দ্রগুপ্তের নানা আখ্যায়িকার মধ্যে কাহারও সছিভ তাহার মিল নাই ।