পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (বৈশ্য কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/২৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२ 98 বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস { বৈশ্ব কীগু । সাধুত্বাস্তাভবৎ কিল ধৰ্ম্মনিষ্ঠ পর গতিঃ । বীরেন্দ্র অtয্যাধৰ্ম্মে চ বিশরেব ন সংশয়: ॥” অর্থাৎ দনুজ গুরুর অভিশাপে স্থলুকোস্তব সৌলুক্য বা শুষ্কজাতি সাহা’ নামে পরিচিত হইয়াছিলেন, শুদ্ধাচার, ধৰ্ম্মনিষ্ঠ ও শ্রেষ্ঠ মার্গ আশ্রয় করায় ‘সাধু নামেও অভিহিত হইয়াছেন। আর্য্যধৰ্ম্মপ্রযুক্ত এই বারেন্দ্র সাহাগণ নিঃসন্দেহে বৈশ্য । রাজপুতনার ভট্টকবিগণ চৌলুক্যগণের আদিনিবাস গঙ্গাপ্রবাহিত “কুলু ও ‘সুলুক’ গ্রামের উল্লেখ করিয়াছেন। ংস্কৃত 'শুষ্ক’ শব্দ রাজপুতনার প্রাকৃত ভাষায় স্থল ক’ এবং এই ‘স্কুল ক’ শব্দই যে আবার সংস্কৃতীকারে "লোক’ রূপে পরিণত হইয়াছে, তাহাতে সন্দেহ নাই। বেলকুচির প্রামাণিকবংশের কুলকারিকায় যে ‘সৌল ক্য' শব্দ প্রযুক্ত হইয়াছে, তাহ যে 'চেলুক’ ও ‘সোলংকি। শব্দের অপর রূপ, তাহ। ভাষাবিদ মাত্রেই স্বীকার করিবেন। বেলকুচির কারিকায় সৌল ক্যদিগকে ‘রাষ্ট্ৰক’ ও ‘সুলুকোস্তব’ অথচ বৈশ্ব বল। হইয়াছে। সম্রাট অশোকের এবং শকাধিপ রুদ্রদামার শিলামুশাসনে গুজরাটপ্রদেশ রাষ্ট্রক বা রটিক নামে পরিচিত হইয়াছে।’ পুরাণেও এই স্থান “লাট” বা “লাটিক” নামে প্রসিদ্ধ। মুতরাং দেখা যাইতেছে যে ভবিষ্যপুরাণ ও রাজপুতনার ভট্টকবিদিগের স্যায় বঙ্গবাসী সেলুকদিগের কুলগ্রস্থানুসারেও এই জাতির পূর্বপুরুষগণ প্রথমে ব্রহ্মব বা গঙ্গাপ্রবাহিত প্রদেশে এবং তথা হইতে রাষ্ট্রক বা গুজরাট অঞ্চলে গিয়া প্রতিপত্তি লাভ করেন । র্তাহীদের মধ্যে যাহারা আধিপত্যলাভ ও ১৮৪ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। সম্ভবতঃ ব্রাহ্মণtভু্যদয়কালে যখন শুল্ক নিজ দল বল সহ ব্রাহ্মণসমাজে মিশিয়া ব্রাহ্মণসমাজের হইয়া অস্ত্ৰধারণ করিয়াছিলেন, তখন র্তাহীকে প্রথমতঃ ব্রাহ্মণ করিয়া লইবার চেষ্ট হইয়াছিল, তৎপরে গুজরাটে আধিপত্যবিস্তারের সহিত এই বংশকে ক্ষত্রিয়পদে অভিষিক্ত করা হইয়াছিল । বৌদ্ধ প্রাধান্তকালে ক্ষত্রিয়গণ নিজ সমাজচ্যুত হইলে বা ইচ্ছ করিলে ব্রাহ্মণসমাঙ্গে মিশিতে পারিতেন, বৌদ্ধদিগের স্ব প্রাচীন স্থত্রগ্রন্থ পাঠ করিলে তাহার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। [ ৮৭-৮৯ পৃষ্ঠার পাদটীকা দ্রষ্টব্য । ] এরূপ স্থলে শুষ্কবংশ প্রথমে ব্রাহ্মণসমাজে মিশিয়া ব্রাহ্মণসমাজের অনুগ্রহেই যে ক্ষত্রিয়পদে অধিষ্ঠিত হইয়াছিলেন, তাহী অসম্ভব নহে । (s) Vincont A. Smith's Asoka, ( I009 ), p. 162 note