পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (বৈশ্য কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/২৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


»भ अ१* ] সোলুক-অগরবাল-বংশ * と。 জন্মে, শ্ৰীহট্ট প্রদেশই উৎকৃষ্ট অগরুর জন্মভূমি ঃ সুতরাং তাহার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলবাসী হইলেও অগরুকাষ্ঠ সংগ্রহের জন্য তাহাদিগকে পূর্ব ভারত প্রাস্তে এমন কি সমুদ্রের অপর পারে পর্য্যন্ত যাতায়াত করিতে হইত। পঞ্চনদে গ্রীক-অধিকার বিস্তৃত হইলে সম্ভবতঃ সেই অগপ-ব্যবসায়িগণ পূর্বভারতে চড়াইয় পড়েন। এ সময় সমস্ত পূৰ্ব্বভারতে মৌর্য্যসমাট অশোকের অধিকার, তাং পূর্বেই আমরা সবিস্তার লিপিবদ্ধ করিয়াছি। তাহার সময়ে বৌদ্ধপ্রভাব বিস্তারের সহিত অগ্নি হোত্রাদি যাগযজ্ঞ একপ্রকার লুপ্তপ্রায় হইল, সুতরাং যে সকল কার্য্যের জন্য অগরুকাঠের সমধিক প্রয়োজন ছিল, সেই সকল কাৰ্য্যলোপের সহিত, অগরুকাঠের ব্যবসায়েও যথেষ্ট ক্ষতি হইল, সুতরাং অগরু বণিকৃগণের মধ্যে অনেকেই অগরুর বাসসায় পরিত্যাগ করিয়া অপরাপর বণিকবৃত্তি অবলম্বন করিলেন। এ সময়ে পাটলিপুত্র মৌর্য্যসামাজ্যের রাজধানী। তাম্রলিপ্ত (বর্তমান তমলুক ) তখন সর্বপ্রধান সমুদ্রবন্দর। অগরু বণিকগণ প্রথমে পাটলিপুত্রে পরে তাম্রলিপ্তে। বাণিজ্য করিতে থাকেন। পূর্বাপরই তাহারা অগরু-ব্যবসায়ে লিপ্ত ছিলেন। বলিয়া পাটলিপুত্র অঞ্চলে ‘অগরবাল’ ও ‘আগরী এবং তাম্রলিপ্তে যাহার বাস । করিতেন, তাহারা পরে তমোলিপ্তের নামানুসারে তামোলী বা তামলী নামে পরিচিত হইয়াছিলেন, তাহা তমলীশাখার কুলপরিচয় হইতে দেখাইয়াছি । রাজা অগ্রসেন হইতেই সম্ভবতঃ পশ্চিম শাখার উৎপত্তি । আগ্রসেনের পূর্ব পরিচয় হইতেও মনে হইতেছে যে, তাহার পূর্বপুরুষ বৃন্দ বৃন্দাবনবাসী ছিলেন এবং এই বৃন্দের পুত্ৰই গুর্জরে গিয়া গুর্জররাজ হইয়াছিলেন। সেলুকবংশের আদি পরিচয়প্রসঙ্গেও লিখিয়াছি যে, শূরসেন বা মথুরা জেলাস্থ স্থলুক হইতে গুঞ্জরে গিয়া এই বংশ আধিপত্য লাভ করিয়াছিলেন। যে সময়ের কথা লিখিত হইতেছে, সে সময়ে বিরা বৈশ্যসমাজের মধ্যে এখনকার মত বহু জাতির স্বঃি হয় নাই। ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসায় বা বৃত্তি অবলম্বন করিলেও তাহারা এক বৈশ্ব বলিয়াই পরিচিত ছিলেন। পরস্পর আদান প্রদানে কোন বাধা ছিল না। সুতরাং মথুরাজেল হইতে র্যাহারা গুর্জরে গিয়া আধিপত্য বিস্তার করিয়াছিলেন, তাহারা শুস্তিক ও অগরবাল বৈশুগণের পূর্বপুরুষ তাহাতে সন্দেহ নাই। শুদ্ধিক বা শৌক্ষিকগণের ইতিহাস পূর্বেই বিবৃত হইয়াছে। দক্ষিণাতে গিয়া তাহদের মধ্যে যে যে ব্যক্তি সর্বাগ্রে রাজ্যপ্রতিষ্ঠায় সমর্থ হইয়াছিলেন, সেই সেই ব্যক্তির নাম যেরূপ ‘বীরসিংশ’