পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/২৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণ-বিবরণ ৯৬৪ ক কাসিমবাজারের ব্রাহ্মণ-রাজবংশ মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রসিদ্ধ কাসিমবাজারে এই বংশের বাস । এই বংশ দক্ষের বংশোদ্ভব BBBB B BBBB BBBS BB BBB BBBBBB BBB BBB S BBBBB BB পুরুষ অধস্তন কৃষ্ণানন্দ পাত্রস এরথমে ত্ৰিলোচন গজরার কন্যা বিবাহ করিয়া ভঙ্গ হন। তাহার তিন পৌত্র জয়ন্তী, জয়গোপাল ও জয়হরি, এই তিন জনেই নবাবসরকারে “রায়” উপাধি লাভ করেন ও সেই সময় হইতে র্তাহাদেব কৌলিক “চট্টোপাধ্যায়” উপাধি পরিবর্তিত হয় । জয়গোপালের প্রপৌত্রপুত্র দীনবন্ধু রায় প্রথমে কাসিমবাজারে আসিয়া বাস করেন, তিনি কিছুদিন কাসিমবাজারের কুঠীষ্ঠে কাজ করেন এবং স্বাধীন ভাবেও রেসমের ব্যবসা চালাইতেন । দীনবন্ধুব পুএ জগবন্ধু কাসিমবাজারের কুঠীপ দেওয়ান ছিলেন, পরে ময়মনসিংহের কালেক্টরীর সেবে স্তাদার ও দেওয়ান হষ্টমাছিলেন। সেরেস্তাদারী . কাৰ্য্যকালে ১৮০২ খৃষ্টাব্দে সরাইল পরগণার /১২ গণ্ড অংশ নিলামে খরিদ করেন। তৎপরে ১৮৮৬ খৃষ্টাব্দে ঐ পরগণার ৩০ আগ অংশ নিলামে উঠিলে তৎপুত্র নৃসিংহ প্রসাদ • ক্রয় করিয়া লয়েন । এই নৃসিংহ প্রসাদের নামে কাসিমবাজারের রাজা কৃষ্ণনাথ ননী ৩ কোট টাকা ক্ষতিপূরণের দাবীতে নালিশ কবেন । সৌভাগ্যক্রমে নৃসিংহপ্রসাদ জয়লাভ করিয়াছিলেন । নৃসিংহ পসদের ৩ পুত্র নবকৃষ্ণ, রাজকৃষ্ণ ও গোপালকৃষ্ণ। নবকৃষ্ণ ও গোপালকৃষ্ণ নিঃসন্তান ছিলেন। রাজকৃষ্ণই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইলেন। তাহার একমাত্র পুত্র অন্নদাপ্রসাদ । রাজকৃষ্ণের মৃত্যুকালে অন্নদা প্রসাদ নাবালক ছিলেন বলিয়া কোর্ট অব, ওয়ার্ডস ( ১৮৬৬ হঠতে ১৮৬৯ খৃঃ অন্ধ পৰ্য্যস্ত ) সম্পত্তির তত্ত্বাবধারণের ভার গ্রহণ করেন। অন্নদা প্ৰসাদের দানশণ ও প্রসিদ্ধ। ১৮৭৪-৭৫ সাণের ছভিক্ষে তাহার যথেষ্ট দানশীলতার পরিচয় পায় বৃটপূগবমেণ্ট তাহাকে “রায় বাetছর” উপাধিতে ভূষিত BBB S JKBB BBBB BBBBB BBB BBB SBSBBBBBBSS BBB DDD পরামর্শ করিবার জন্ত কলিকাতায় আহবান করেন, এখানে সহসা ওলাউঠ রোগে ২৮ বর্ষ মাত্র বয়সে একমাত্র শিশু পুত্র আশুতোষনাথ ও স্বধৰ্ম্মরত সঙ্গধৰ্ম্মিণী রাণী আর্ণ-কালীকে রাখিয়া ইহলোক ত্যাগ করেন । ১৮৯৩ খৃষ্টাব্দে ২৯এ জানুয়ারী কলিক। তা হাইকেটের ভূতপূৰ্ব্ব বিচারপতি ৮ অনুকুলচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পৌত্রীর সঠিত আশুতোষনাথের বিবাহ হয়। র্তাহার নাবালক অবস্থায় কেটে অব ওয়ার্ডস সরাইল পরগণার অবশিষ্ট অংশ খরিদ * করেন। আশুতোষ ১৮৯৭ খৃষ্টাব্দে ৭ই সেপ্টেম্বর সমস্ত সম্পত্তির ভার গ্রহণ করেন। লেডীডফারিন হাসপাতালে এককালে তিনি লক্ষ টাকা দান করায় বুটশ গরমেন্ট তাহাকে ‘রাজা' উপাধিতে ভূষিত করেন । তিনি অতিশকারপ্রিয় ও সঙ্গীতাদি স্বকুমার কলায় পারদর্শী ছিলেন । ১৯৯২ খৃষ্টাব্দে রাজপ্রতিনিধি বড়লাট কাসিমবাজারে তাহার বাটভে আসিয়া আতিথ্যগ্রহণ করিয়াছিলেন। ১৯০৩ খৃষ্টাব্দের দিল্লীর দরবারে রাজা আশুতোষনাথ নিমভি ও সন্মানসূচক পদক প্রাপ্ত হন । ১৯০৬ খুঃ, ১৬ই ডিসেম্বর তিনি মভি রাণী আর্ণাকালী, পত্নী রাণী সরোজিনী, দুষ্ট কষ্ঠা এবং ছয়মাসের শিশুপুত্র কমলারঞ্জনকে রাখিয়া কালগ্ৰাসে পতিত হইলেন । এক্ষণে কুমার কমলারঞ্জনের বয়স ৬ বর্ষ মাত্র । গত ১৯১১ খৃঃ ৩রা ফেব্রুয়ারী .কুমারের কনিষ্ঠ ভগিনী জ্যোতিৰ্ম্ময়ীর সহিত নবদ্বীপের বর্তমান মহারাজ ক্ষেীণীশচন্দের .es বিবাহ হইয়াছে। স্বনামখ্যাগ দানশীল রাণী আর্ণাকালী মহারাণী ভিক্টোরিয়ার জুবিলি উপলক্ষে বহরমপুরে জুবিলি টোল’ নামে সংস্কৃত বিদ্যালয় স্থাপন করিয়া চিরস্মরণীয় হইয়াছেন। পরপৃষ্ঠে বংশভরু প্রদত্ত হইল :–