পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


లిచి সঙ্গের জাতীয় ইতিহাস চতুর্বর্ণ্য-সমাজ সম্যক গঠিত হইতে অtরও বহু শতবর্ষ অতিবাহিত হইয়াছিল। মহাভারতে ভীষ্মপর্বের্ব লিখিত আছে — “দ্বাপরেই সকল বর্ণ উৎপন্ন হইয়াছিল ।”১ পূর্বোক্ত পুরাণাদির প্রমাণ দ্বারা দেখা যাইতেছে, এক ব্রাহ্মণজাতি হইতেই চাতুর্বণ্য সমাজ গঠিত হইয়াছে । এখন কথা হইতেছে, যদি ব্রাহ্মণ হইতেই সকল জাতি হইল, তবে ব্রাহ্মণেতর ক্ষত্রিয় বা বৈশ্বের যেমন বেদাধিকার বা সংস্কার আছে ; শূদ্রের সেরূপ অধিকার নাই কেন ? শূদ্র ওত ক্ষত্রিয় ও বৈশ্বের স্যায় ব্রাহ্মণ হইতেই উৎপন্ন হুইয়াছে ? তবে তাহীদের প্রতি এ কঠোর নিয়ম কেন ? আমাদের বোধ হয়, যখন আর্য্যসমাজে প্রথম চাতুর্বর্ণ প্রথা প্রবর্তিত হয়, তখন বেণী আঁটাতাটি বাধাৰ্বাধি ছিল না । মহাভারতে বনপর্নেল (২১১ অধ্যায়ে ) লিখিত আছে,— ‘শূদ্ৰযোনিতে উৎপন্ন হইয়াও কোন ব্যক্তি যদি সদগুণ সকলের সেবা করে, তাহ হইলে তাহার বৈশ্বত্ব ও ক্ষত্ৰিয়ত্ব লাভ হয় ; এমন কি, একমাত্র সারল্যগুণে অভিনিবিষ্ট থাকিলে তাহার ব্রাহ্মণত্বও লাভ হইতে পারে ২ মহাভাৰতকার উপরে যে উদার-কথার অবতারণা করিয়াছেন, তাহ চাকুর্বণ্য-সমাজের আদিম অবস্থার কথা । তখনও দ্বিজাতিগণ শূদ্রদিগকে বিজাতীয় ঘৃণার চক্ষে দেখিতেন কি ন সন্দেহ তখনও বোধ হয়, অনার্মারক্ত আর্য রক্তে মিশ্রিত হয় নাই । চাতুর্বর্ণ্যসমাজের সেই শৈশব অবস্থায় আমরা পূদ্র কৰষকে ব্রাহ্মণ ও বেদমন্ত্রপ্রকাশক ঋষি* বলিয়া গণ্য হইতে দেখি । তৎকালে আর্য্য-সমাজে গুণকৰ্ম্মের যথেষ্ট সমাদর ছিল । সেই সময়ের প্রসঙ্গ লক্ষা করিয়া মহাভারতকার লিখিয়াছেন— “যে ব্রাহ্মণ দাস্তিক ও বহুল দুরিতাচারী হইয়া পতনীয় অসৎ কৰ্ম্মে বর্ধমান থাকে, সে শূদ্র তুলা হয় ; এবং যে শূদ্র ইন্দ্রিয়-নিগ্রহ, সত্য ও ধৰ্ম্মবিষয়ে সতত (১) “জয়ন্তে ক্ষত্রিয়া বীরান্ত্রেতায়tং সশবৰ্ত্তিনঃ। मं वर्गः मश्tब्रांश् छह्रिँश्च षiश्itद्र मङि । মহোৎসাহ বীৰ্য্যবস্তু: পরস্পর-জরৈধি৭: " ( ভীষ্মপৰ্ব্ব ১. জ: ) (২) “পুধোনে ছি জাতস্ত সদগুণানুপস্তিষ্ঠত: । বৈষ্ঠত্বং লভতে ব্ৰহ্মন ক্ষক্রিয়ত্বং তথৈব চ। অর্জবে বর্তমানস্ত ব্রহ্মণ্যমভিজায়তে । গুণান্তে কীৰ্হিতা: সৰ্ব্বে কিং ভূয়: শ্রোতুমিচ্ছসি ॥” ( বনপৰ্ব্ব ২১১১২-১৩) नूज कषष कविब्र गब्रिध्न येउcब्रह-खांकन (२७०) अवर कौशैडक्-िबाक्र१ ( ०२॥२-७) जड़ेवा ।