পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জাতি-বিভাগ 4. \లి: প্রতিষ্ঠা করিয়া বৌদ্ধধৰ্ম্মানুরাগ অথবা শিবভক্তির যথেষ্ট পরিচয় দিয়াছেন বটে, কিন্তু পশ্চিম-ভারতের শকক্ষত্রপগণ অনেকেই যথেষ্ট দেবদ্বিজে ভক্তি দেখাইয়া হিন্দুত্বেরই বিশেষ পরিচয় দিয়া গিয়াছেন। এখানে দুই একটা প্রমাণ দিলেই যথেষ্ট হইবে । নাসিক গুহায় উৎকীর্ণ শকক্ষত্রপ উষবদাতের লিপিতে স্পষ্ট লিখিত আছে— & “রাজঃ ক্ষহরতিস্ত ক্ষত্রপস্ত নছপানস্ত জামাত্র দীনীকপুত্রেণ উষবদাতেন BBBBBBBBBSBBBBS BBBBB BBBBBBB BBBB ব্রাহ্মণশতসাহস্ৰ ভোজপয়িত্র প্রভাগে পুণ্যতীর্থে ব্রাহ্মণেভ্য: অষ্টভাৰ্য্যাপ্রদেন”। অর্থাৎ ক্ষহরাতবংশীয় ক্ষত্রপরাজ নহপানের জামান্ত দীনীকপুত্র উষবদীত ( যিনি ) তিনলক্ষ গোদান করিয়াছেন, দেবতা ও ব্রাহ্মণগণের উদ্দেশে যিনি ঘোল খানি গ্রাম দান করিয়াছেন, যিনি প্রতিবর্ষ লক্ষ ব্রাহ্মণ ভোজন করাইতেন এবং যিনি•পুণ্যতীর্থ প্রভাসে ব্রাহ্মণদিগকে ( প্রত্যেককে ) আটট দারপরিগ্রহের উপযুক্ত ধন দান করিয়াছিলেন । উক্ত ক্ষহরতিবংশ ব্যতীত আর একট পরাক্রান্ত শকক্ষত্রপবংশ আড়াই শত বর্ষের অধিককাল মালব শাসন করিয়া গিয়াছেন, উজ্জয়িনীতে র্তাহীদের রাজধানী ছিল । এই শকবংশের প্রতিষ্ঠাতার নাম ঘ সমোতিকপুত্র চষ্টন । পিতা ও পুত্র উভয়ের নামেই বৈদেশিক গন্ধ, কখনই হিন্দুনাম বলা যায় না । কিন্তু চফ্টনের পুত্র জয়দাম ও তৎপুত্র রুদ্রদমে প্রভৃতি পরবর্তী বংশধরগণের সকলেরই হিন্দুনাম দেখা যায় ৩ কণ হেরার গুহা হইতে আবিষ্কৃত একখানি শিলালিপি পাঠে জানিতে পারি যে উক্ত মহাক্ষত্রপ রুদ্রদমের কস্তার সহিত সাতবাহনরাজ বালিষ্ঠীপুত্র সাতকণির বিবাহ হইয়ছিল । কেবল তাহাই নহে, জুনাগড় হইতে আবিষ্কৃত মহাক্ষত্রপ রুদ্রদমের গিরিলিপি হইতে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে তিনি “শব্দার্থ-গান্ধৰ্ব্বন্যায়াস্তানাং বিদ্যানাং মহতীনাং পারণ-ধারণ-বিজ্ঞান-প্রয়োগাবাগুকীৰ্ত্তি” অর্থাৎ ব্যাকরণ, সঙ্গীত, ন্যায় ও অপরাপর হিন্দুশাস্ত্রে অভিজ্ঞতালাভ (5) Indian Antiquary, Wol, XXXII, P. 429, and Vol. XL, p. 13; Epigraphia Indica, íVol. mx, p. 141ff. (ì) Εύigraphim inüica, Vol. VIII, p. 78, 85. (৩) বুঙ্গের জাতীয় ইতিহাস, ব্রাহ্মণকাও, ৪র্থ অংশ ( ১ম সংস্করণ) ২৩ পৃষ্ঠার বংশলত জীব্য। (8) Arch. Surv. Western India, Vol. V. p. 78. (*) Fpigraphia Indica, Wol, VIII, p. 44.