পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জাতি-বিভাগ # 8○ নামে এক জাতির উল্লেখ করিয়াছেন । ১ সপাদলক্ষ বা হিমালয়স্থ শিবলিক প্রদেশ হইতে হুণমুদ্রার সহিত খজরমুদ্র আবিষ্কৃত হইয়াছে। এই মুদ্রার একদিকে ‘প্রকাশাদিত্য ও অপর দিকে ‘খজর শব্দ উৎকীর্ণ আছে। পূর্বেই লিখিয়াছি যে, aজর, গজর ও গুজর একজাতিরই নাম, ভারতেও তাহার প্রথমতঃ খজর, খচর, খচ্ছার ও গুজর নামেই পরিচিত হইয়াছিল । এই গুজর শব্দেরই সংস্কৃত রূপ গুর্জয় । হুণদিগের স্যায় ইহারাও প্রথমে শৈব ও হিন্দুধৰ্ম্মাবলম্বী ছিল । প্রকাশাদিত্য যে পুর। হিন্দুনাম তাহ বলাই বাহুল্য। এই খজরজাতি শুভ্রবর্ণ, কৃষ্ণকেশ ও অতি স্বন্দর গঠন ছিল। বৈজস্তিয়ম ও বোগদাদে খজরকন্যার পাণিগ্রহণে সকলেই আগ্রহ দেখাইত ’ও এই বর্ণনার সহিত গুজরজাতির অন্যতম শুখ রাজস্থানের অগ্নিকুলের সম্পূর্ণ গোঁসাদৃশ্ব রহিয়াছে। এই গুজরজাতির পূর্ববাসের স্মৃতিনির্দেশক বহুস্থান এখনও বিদ্যমান। আফগানিস্তানের রাজধানী গজনীর নিকটই 'গুজরীস্তান’ নামে একটা প্রসিদ্ধ স্থান রহিয়াছে। একসময়ে যেখানে শ্বেতচূণদিগের রাজধানী ছিল, বৰ্ত্তমান বদেঘিজের নিকটও গুজরীস্তান নামে একটা বিস্তৃত ভূভাগ দৃষ্ট হয়। হাজারীর পশ্চিমে অর্ঘন্দাব ছাড়াইয়া ভারতপ্রাস্তের বাহিরে উজরীস্তান নামে একটা ভূভাগ আছে, তাহাকেও কেহ কেহ গুজরীস্তানের অপভ্রংশ বলিয়া মনে করেন। পঞ্জাবের ‘গুজরম্বালা’ প্রসিদ্ধ। কাশ্মীর ও স্বাত প্রদেশে অদ্যাপি গুজরী নামে একটী পাহাড়ীভাষী প্রচলিত রহিয়াছে। বৰ্ত্তমান গুজরাত ও রাজপুতানায় এই জাতির প্রধানতঃ বর্তমান নিবাস হইলেও পূর্বে আফগানস্তান, পারস্য ও হিমালয়প্রদেশের উত্তরপশ্চিম সীমায় যে এই জাতির বাস ছিল, তাহাতে সন্দেহ নাই। উত্তরপশ্চিমভারত হইতে কতকগুলি মুদ্রা আবিষ্কৃত হইয়াছে, এই শ্রেণির মুদ্রায় নাগরী, সাসনীয় (Sassanian) ও পহলবী এই তিন প্রকার লিপি দৃষ্ট হয়। এই মুদ্রাব উপরপৃষ্ঠে সাসনীয় পহলবী tয়—“সফ, বস্তু তেফ–চহ মন × মুলতান মলক” অৰ্থাৎ মুলতানপতি শ্ৰীবাসুদেব চই মন এবং অপর পৃষ্ঠে নাগরী অক্ষরে “শ্ৰীবাস্থদ্বেব” শব্দ এবং পহ্লবীভাষায় “টুকান জাউলস্তান সপদ লক্ষন অর্থাৎ টক, জাবুলিস্তান ও (*) चूंश्९ग:हिठl s8 अश्वाग्नि ! (3) • Journal.of the Royal Asiatic Society for 1907, p. 96, Indian Antiquary, Wol. XL. p. 31. kt - (*) Encyclopaedia Brittannica (Iorn Ed) Vol, XIV. p. 59.