পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


'88 বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস ও সপাদলক্ষ আছে। এদিকে পৃথীরাজবিজয় নামক গ্রন্থপাঠেও আমরা জানিতে পারি যে, চাহমানবংশীয় প্রথম নৃপতি বাসুদেব আশাপুরী ও শাকম্ভরীদেবীর আশ্রয়ে শাস্তুরনামক লবণহ্ৰদ অৰ্পণ করিয়াছিলেন। রাজশেখরের প্রবন্ধকোষের সমাপ্তিপুস্পিকায় ৩৭ জন চাহমাননৃপতির নাম পাওয়া যায়। কবি রাজশেখর তাহাদিগকে “সপাদলক্ষীয় চাহমান-নৃপবংশ’ পলিয়া পরিচিত করিয়াছেন। প্রবন্ধকোষের মতেও বাসুদেবই চাহমান বংশের প্রথম নৃপতি এবং ৬০৮ বিক্রমাব্দে তিনি বিদ্যমান ছিলেন । উক্ত সাসনীয় মুদ্রাগুলি আলোচনা করিয়া মুদ্রাবর্ণিত বাসুদেবকে কেহ তৃণ, কেহ সাসনীয়, আবার কেহ খঞ্জর বা গুজর বলিয়া স্থির করিয়াছেন ১ বিজোলিয়া হইতে তালিস্কৃত সমস্তদেবের শিলালিপিতে তিনি তাহিচছত্রাগত বৎসগোত্রীয় ব্রাহ্মণ ললিয়া পরিচিত হইয়াছেন ২ মেবারের গুহিলবংশের ন্যায় পরে এই বংশের ও সকলেই ক্ষত্রিয় বলিয়া পরিচিত হইয়াছেন । এইরূপে প্রত্নতত্ত্ববিদ দেবদত্ত ভাণ্ডারকর প্রমাণ করিয়াছেন যে, প্রতিহার বা পড়িহার, পরমার (পুয়ার ) ও চালুক্য বা সোলঙ্কীগণ ও বৈদেশিক গুজরবংশসদ্ভূত। আদিতে তাহার শূদ্র বা বৈশ্ব হইলেও পরে তাহারা সকলেই ক্ষত্রিয়রাজপুত বলিয়া পরিগণিত হইয়াছেন । এক্ষুণে এই চাহমান বা চৌহানবংশ রাজস্থান ও উত্তরপশ্চিম প্রদেশে অগ্নিকুল ও অপর নানা শ্রেণির রাজপুতের সহিত সম্বন্ধসূত্রে আবদ্ধ। কেবল উক্তরূপেই যে হিন্দুগণের মধ্যে অসঙ্খ্য শ্রেণী ও শাখা-প্রশাখার উৎপত্তি হইয়াছে, তাহ নহে । বৰ্ত্তমান ভারতবর্ষীয় হিন্দুসমাজে আমরা যে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহস্ৰ সহস্র শ্রণীর ও সম্প্রদায়ের প্রসার দেখিতেছি, ( সামাজিক ব্যবহার অনুসারে তাহার প্রত্যেককে এক একটা স্বতন্ত্র জাতি বলিয়া গণ্য করিলেও ক্ষতি নাই ), নানা কারণে তাহীদের উৎপত্তি নির্দেশ করা যাইতে পারে। ১ম । বিভিন্ন দেশে বাসনিবন্ধন স্বদেশ ও জ্ঞাতিবর্গের সংস্রব ত্যাগ । ২য় । কৌলিক মত ও ধৰ্ম্মপরিত্যাগপূর্বক ভিন্ন মত গ্রহণ ও ভিন্ন গুরুর শিষ্যত্ব স্বীকার । (3) Indian Antiquary før 1911, p, 25-26. (*) Journal of the Asiatic Society of Bengal, Wol, LV, Pi I. p. 41, s qtaa ston झेठिठ्ठांम, বৈশ্বকাপ্ত (১ম সংস্করণ) ১৮৩ পৃষ্ঠায় পাদটীকা দ্রষ্টব্য । (9) Indian Antiquary, Vol. XL. p. 30. (৪) বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস, বৈষ্ঠ কাণ্ড, ১৮৩ হইতে ১৮৪ পৃষ্ঠায় পাদটীকা দ্রষ্টব্য।