পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায় ·举线亲一一 গোঁড়ব্রাহ্মণের পরিচয় পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি, পাঁচহাজার বর্ষের উপর হটতে চলিল, বৈদিক মার্গ গপত্তক যাঙ্গিক ব্রাহ্মণগণের পদার্পণে অসভ্যনিবাস বঙ্গভূমি পবিত্ৰলাভ করিয়া সভ্যজগতে প্রতিষ্ঠালাভ করিয়াছে। পাণিনির ও সময় হইতে ‘গৌড়' নাম সুপরিচিত এবং মুরম্যপুরাদি সুশোভিত ছিল। গৌড়দেশে পুৰ্ব্বকালে যে সকল ব্রাহ্মণ আসিয়া বসতি স্থাপন করেন, পরে তাছারাই গৌড়ব্রাহ্মণ নামে সমাজে শ্রেণীবদ্ধ হইয়াছিলেন । কতকাল হইল, তাহারা প্রথমে গোঁড়ব্রাহ্মণ নাম লইলেন, তাহ জানিবার উপায় নাই। ভারতের নানাস্থানেই গৌড়ব্রাহ্মণের বাস। দিল্লী অঞ্চলেই কিছু অধিক । দক্ষিণাত্যেও গৌড়ব্রাহ্মণের অভাব নাই। উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ গোঁড়ব্রাহ্মণকে উহাদের আদিনিবাসের কথা জিজ্ঞাসা করিলে, তাহার গৌড় বা লক্ষ্মণাবতী রাজ্য দেখাষ্টয়া থাকেন। দিল্লী অঞ্চলের প্রধান গোঁড়ব্রাহ্মণের বলিয়া থাকেন, পা ধুবংশীয় রাজা জনমেজয়ের সর্পপত্রে গোঁড় हरेt cग गरुन उक्रि१ श्राङ्ङ श्हेग्रांश्tिनन्, डेशन ऊँशिरमतई नखान। डैशिष्मद्र शूर्तिश्रूक्षগণ লক্ষ্মণাবতীর নিকট বাস করিতেন। আবার দিল্লী ও বেহারের অনেকে বলিয়া থাকেন, পাণ্ডবগণের পরাক্রমকালে তাহদের পূৰ্ব্বপুরুষগণ হস্তিনায় আসিয়া বাস করিয়াছিলেন। এখান হইতে র্তাহারা জনমেজয়ের সর্পসত্রে আহূত হন। উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে আরও একট প্রবাদ আছে, যেমন আদিশূরের যজ্ঞনিৰ্ব্বাহ করিবার জন্ত কান্তকুঞ্জ হইতে পঞ্চব্রাহ্মণ আহূত হইয়াছিলেন, সেইরূপ ধনকুবের অগরবালা, বণিকদিগের সমাজ প্ৰবৰ্ত্তক রাজা অগর গোঁড় হইতে কএকজন ব্রাহ্মণ আনিয় সম্মানিত করেন ২ তাছাদের বংশধর গোঁড়ব্রাহ্মণগণ এখনও অগরবালা বণিকগণের কুলপুরোহিতরূপে পূজিত হইয় থাকেন। - ইলিয়ট, কনিংহাম্ প্রভৃতি পুরবিদগণ গোঁড়ব্রাহ্মণদিগের গৌড়দেশ হইতে গমন সম্বন্ধে ঘোর সন্দিহান। তাছার একেবারে বিশ্বাসই কবেন না যে বঙ্গের এক প্রান্ত হইতে উদ্যমশীল গড়ৱাহ্মণগণ মুদূর পশ্চিমাঞ্চলে গিয়া প্রতিষ্ঠা লাভ করিবেন। প্রত্নতত্ত্ববিদ্র কনিংহাম্ সাহেবের বিশ্বাস, অযোধ্যার অন্তর্গত গৌড়দেশই ( বর্তমান গোগু জেলা ) গৌড়ব্রাহ্মণগণের (3) Elliot's Races of the North Western Provinces, ed., by J. Beames, Vol. I. p. 104. (*) H. H. Risley's Tribes and Castes of Bengal, Vol. I. p. I47. I58,