পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


سالانه বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় । নরোত্তম দাস । সুপ্রসিদ্ধ নরোত্তম ঠাকুর। “বঙ্গভাষা ও সাহিত্যে”র ৩৭১ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। যে মোর অঙ্গের পবন পরশে অমিয়া-সায়রে ভাসে । এক আধ তিলে মোরে না দেখিলে যুগ শত হেন বাসে । সই সে কেনে এমন হৈল। কঠিন গান্ধিনী-তনয় কি গুণে তারে উদাসীন কৈল ॥ নবঘন তাম ওহে প্রাণ-বঁধুয়া আমি তোমা পাসরিতে নারি। তোমার বদন-শশী অমিয়া মধুর হাসি তিল আধ না দেখিলে মরি। তোমার নামের আদি হৃদয়ে লিখিতাম যদি তবে তোমায় দেখিতাম সদাই । এমন গুণের নিধি হরিয়া লইল বিধি এবে তোমা দেখিতে না পাই ॥ এমত ব্যথিত হয় পিয়ারে আনিয়া দেয় তবে মোর পরাণ জুড়ায়। মরম কহিনু তোরে পরাণ কেমন করে কি কহিব কহনে না যায় ॥ এবে সে বুঝিনু সখি পরাণ-সংশয় দেখি মনে মোর কিছু নাহি ভয় । যে কিছু মনের সাধ বিধাতা পাড়িলে বাদ নরোত্তম জীবন যাপয় ॥ তোমা না দেখিয়া শু্যাম মনে বড় তাপ । অনলে পশিব কি যমুনায় দিব ঝাপ । এইবার পাইলে রাঙ্গা চরণ দুখানি । হিয়ার মাঝারে খু্যা জুড়াব পরাণী ॥ মুখের মুছাব ঘাম খাআল্লাব পাণ গুয়া । শ্রমেতে বাতাস দিব চন্দন আর চুয়া ॥ মালতী ফুলের গাথিয়া দিব মাল। বনায়া বান্ধব চুড়া কুন্তল-ভার ॥ কপালে তিলক দিব চন্দনের চাদ। নরোত্তম দাস কহে পারিতির ফাদ ॥ দ্বিজ হরিদাস । আইস আইস সুবদনী রসময়ী রাধা । দরশনে দূরে গেও মনসিজ বাধা ॥ তুহু মোর সরবস নয়নের তারা। তো বিনে সকল দিগ লাগে আন্ধিয়ারা ।